শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

এবার আবেগের ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে কলকাতাবাসী

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:২২ পিএম
এবার আবেগের ইলিশ কিনতে  হিমশিম খাচ্ছে কলকাতাবাসী

ইলিশ ছাড়া যেন উৎসবই জমছিলো না কলকাতাবাসীর। মিটেছে ঘাটতি-বাংলাদেশ থেকে গিয়েছে যোগানও। কিন্তু এবার ইলিশ কিনতে গিয়ে একটু হিমশিম খেতে হচ্ছে কলকাতাবাসীর। কেননা অন্যান্য বছর এই সময় কলকাতার খুচরা বাজারে ইলিশের দাম থাকে কেজি প্রতি দেড় হাজার থেকে দুই হাজার রুপির মধ্যে। এবার সেই ইলিশ কিনতে হচ্ছে আড়াই থেকে তিন হাজার রুটিতে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ইলিশের প্রথম চালান গিয়েছে কলকাতায়। শুক্রবার ভোররে ইলিশ পৌঁছায় কলকাতার হাওড়া, পাতিপুকুর, বারাসাত, শিয়ালদা, উত্তরবঙ্গের শহর শিলিগুড়ির পাইকারি বাজারে। আলো ফোটার আগেই মাছের নিলাম শুরু হয়। বড় ইলিশ পাইকারি বাজারেই দাম ওঠে ১৬০০ থেকে ১৭০০ রুপি। আর এক কেজির নিচের ইলিশের দাম উঠে ১৪০০-১৫০০ রুপি। এই মাছ খুচরো বাজারে যাওয়ার পর দাম ওঠে দুই হাজার রুপি থেকে আড়াই হাজার রুপি পর্যন্ত।

বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী-পদ্মার ইলিশের প্রতি কলকাতার মানুষের তীব্র আবেগ। কিন্তু এবার সেই আবেগের জায়গা পূরণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ। কারণ এতো দামে সাধারণ মানুষের কেনার তেমন সাধ্য নেই। তবে বিক্রি যেটুকু হয়েছে তার বেশিরভাগই কিনেছেন বিত্তবানরা তবে মধ্যবিত্তরাও ইলিশের স্বাদ নেয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সেটা পদ্মার না, স্থানীয় ডায়মন্ড হারবার কিংবা মিয়ানমারের ইলিশ কিনে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন-যেহেতু ইলিশের প্রথম চালান গিয়েছে সেই হিসাবে দাম একটু বেশি। অনেকেই না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু এই ইলিশের চালান যত বেশি যাবে, ততই দাম কমতির দিকে আসবে।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।