শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

হাইমচরে স্মার্ট কার্ড বিতরণ” জনসাধারনের চরম ভোগান্তি ” অসুস্থ্য ৮

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:০৩ পিএম
হাইমচরে স্মার্ট কার্ড বিতরণ” জনসাধারনের চরম ভোগান্তি ” অসুস্থ্য ৮

হাইমচরে স্মার্ট কার্ড নিতে এসে চরম ভোগান্তিতে পরেছেন উপজেলার জনসাধারণ। ঘন্টারপর ঘন্টা দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থেকেও সবাই পাচ্ছেন না স্মার্ট কার্ড। কাওকে আবার পাঠানো হচ্ছে উপজেলায়, উপজেলা থেকে দূর্গাপুর স্কুল মাঠে। এ ছাড়াও লাইনে দাড়িয়ে থেকে অসুস্থ্য হয়ে পরেছেন অনেকেই। কিছুক্ষণ বিশ্রামে রাখার পর সুস্থ্য হলেও ৮ জনকে নিতে হয়েছে হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। অসুস্থ্যদের মধ্যে বেশ কয়েকজন হিট স্ট্রোকও করেছেন বলে জানা গেছে। তবে নারীরাই বেশি অসুস্থ্য হয়েছেন।

জানাজায়, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ভোটার হয়েছেন এমন ৬ ইউনিয়নের ৭৫ হাজার ভোটারের স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয় এমাসের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে। উপজেলা নির্বাচন অফিস কর্তৃক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কার্ড বিতরণ সম্পন্ন করেন। নির্দিষ্ট সময়ে যারা স্মার্ট কার্ড নিতে পারেনি তাদের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ টা থেকে কার্ড বিতরণের ঘোষনা দেয়া হয়। বেশিরভাগই মানুষ কাজে না গিয়ে হাতে দুই-এক ঘন্টা সময় নিয়ে কার্ডের জন্য এসেছেন। আবার কেও রিকশা, অটোরিকশা চালানো বন্ধ করে স্মার্ট কার্ড নিতে যান। কিন্তু এইসব কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষের কার্ড নিতে এসে ভোগান্তির শেষ ছিল না। একই দিনে পুরো উপজেলার মানুষকে এক সাথে কার্ড দেয়ার ঘোষনার ফলে হাজার হাজার মানুষ এসে ভিড় করে।

দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থেকে অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ্য হয়ে পরেন বেশ কিছু নারী পুরুষ। এদের মধ্যে ৮ জন হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ৫ জন বাড়ি চলে গেলেও ৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্মার্ট কার্ড নিতে আসা মহজমপুর গ্রামের বশির জানান, তারা স্বামী স্ত্রী একদিনের ছুটি নিয়ে ঢাকা থেকে আসেন স্মার্ট কার্ড নিতে। সকাল ৮ টায় এসে দেখেন কার্ড নিতে আসা মানুষের ভীড়। অনেক চেষ্টা করে লাইনে দাড়িয়ে প্রায় ৪ ঘন্টা পরে স্মার্ট কার্ড পেলাম। এমন জানলে ঢাকা থেকে এ কার্ড নিতে আসতাম না।

হাইমচর ইউনিয়নের সুমন জানান, স্মার্ট কার্ড নিতে এসে মহা বিপদে পড়েছি। এখানে একদিনে পুরো উপজেলার মানুষের কার্ড বিতরণ করছে। উপজেলার সকল মানুষ এসেছে। লাইনের কোন শৃংখলা নাই, হুরা হুরি করতে গিয়ে অনেকেই আহত হয়েছেন। গরমে অতিষ্ঠ হয়েও অনেকে অসুস্থ্য হয়েছে। বলতে গেলে নির্বাচন অফিসের অব্যবস্থাপনায় ভোগান্তিতে পরেছে মানুষজন।

Model Hospital

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, আজকে ছিল আমাদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শেষ দিন। এর পর থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে কার্ড বিতরণ চলমান থাকবে। মানুষ ভেবে নিয়েছিল আজই শেষ দিন। তাই মানুষের উপছে পরা ভীড় ছিল। আহত কিংবা অসুস্থ্য হওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।