বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় বিষ প্রয়োগে ১০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৫৮ পিএম
কচুয়ায় বিষ প্রয়োগে ১০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগের মাছ নিধন।

কচুয়ায় এক মৎস্য চাষীর ৩টি প্রজেক্টে ৩ একর জমিতে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গোহট দক্ষিন ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।

বিকেলে মাছ গুলো পুকুরে ভেসে উঠতে দেখে, পরে এসে দেখি পুকুরে থাকা সব মাছ মারা যায়। ধারনা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকালে ৩টি প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করা হয়। এতে প্রায় ১শত মন মাছ মারা যায়।

মৎস্য চাষী কামাল গাজী জানান, গত ১ মাস ধরে মানুষের কাছ থেকে জমি নিয়ে মাছ চাষ করে আসছি। বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে বড় চাইজের রুই, কাতল, মৃগেল ও তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ পুকুর গুলোতে মাছ চাষ করছি।

বৃহস্পতিবার সকালে কে বা কাহারা পুকুর গুলোতে বিষ প্রয়োগ করেছিলে আমি টের পাইনি। দুপুরের দিকে হঠাৎ করে মাছ গুলো পুকুরে ভেসে উঠতে থাকলে আমি টের পাই। পরে সামান্য কিছু মরা মাছ কম দামে বিক্রি করি। বাকী প্রায় সব মাছ গুলো মরে পঁচে গেছে।

Model Hospital

বিষ প্রয়োগের কারনে প্রায় ১০ লক্ষ্য টাকা আমার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। কিভাবে এনজিও ঋণ পরিশোধ করবো সেই কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন পুকুরে মাছের চাষ করে আসছেন। বৃহস্পতিবার সকালে কে বা কাহারা কামাল গাজীর মৎস্য প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে।

এভাবে যদি ব্যবসায়ীদের শত্রু সৃষ্টি হয় তাহলে ভবিষ্যৎতে কেউ মৎস্য ব্যবসায় আগ্রহী হবেন না। মৎস্য ব্যবসায়ীরা এই পেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন। বিষয়টি তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রাছেল জানান, কচুয়ায় মাছের ঘাটতি রয়েছে। যদি এইভাবে বিষ প্রয়োগ করে দুর্বুত্তরা মাছ নিধন করতে থাকে, তাহলে মাছের আরো সংকট দেখা দিবে। দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে দুস্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে হবে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৮ এম
বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়-নীতি, সততা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।’

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক মাহফিলে এ মন্তব্য করেন তিনি। সঙ্গে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধ অনুসরণ করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে নৈতিকতার চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মাহফিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি,নৈতিকতা,ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন চরমোনাই পীর। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দেশ খেয়েছে খাজুরেরা, নাম পড়েছে হুজুরের।’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘ইসলামিক দল নাম দিয়ে,বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল?’ তিনি দাবি করেন, যারা মুসলমান তারা মিথ্যা বলতে পারে না। তার বক্তব্যে ধর্মীয় আদর্শের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Model Hospital

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বক্তব্যে চরমোনাই পীর দেশের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজসহ বিভিন্ন সামাজিক অনাচার নিয়েও সমালোচনা করেছেন।