বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে সরকারি মহৎ কাজকে বাধাগ্রস্থ্য করতে মৎস্য অফিসারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২২, ৭:১৭ এম
হাইমচরে সরকারি মহৎ কাজকে বাধাগ্রস্থ্য করতে মৎস্য অফিসারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে সরকারি মহৎ কাজকে বাধাগ্রস্থ্য করতে উপজেলা মৎস্য অফিসারের বিরুদ্ধে কঠোর ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল।
হাইমচরে বাচ্চু মোল্লা নামক ব্যক্তির মৃত্যুতে উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. মিজানুর রহমানকে ফাঁসানোর চেষ্টাসহ সরকারি কাজকে বিতর্কিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি কুচক্রি মহল।
জানাজায়, গত ২০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রোজ সকালে উপজেলা মৎস্য অফিস, কোষ্টগার্ড হাইমচর বাজার মাছ ঘাটে যৌথ অভিযান চালায়। এসময় ৫০০ কেজি জাটকা মাছ জব্দ করে এতিমদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ঐ দিনই চরভৈরবী এলাকার বাচ্চু মোল্লা মাছ ক্রয় করতে মাছ ঘাটে এসে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। অসুস্থ্য ব্যক্তিকে প্রথমে হাইমচর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখান থেকে  ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুকে  ব্যবহার করে মৎস্য অফিসারকে জড়িয়ে ষড়যন্ত্র করছে এক শ্রেনীর অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীসহ কুচক্রিমহল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে লাসের সাথে মৃত্যু সনদে বাচ্চু মোল্লা করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতুবরন করেন উল্লেখ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানান, কোস্টগার্ড, পুলিশ দেখে মাছ রেখে যে যেভাবে পারছে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঐ সময় ভয়ে দোড়াতে গিয়ে বাচ্চু মোল্লা গাছের সাথে আঘাত পেয়ে মাথা পেটে যায়।
এ ব্যাপারে হাইমচর উপজেলা সিনিয়র( অতিরিক্ত দায়িত্ব)  মৎস্য অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান জানান ঐদিন আমরা থাকালীন সময়ে কেউ আহত হওয়ার মত ঘটনা ঘটে নি।  আমার হাতে কোন লাঠি ছিলনা।  আমার সাথে হাইমচর থানার এস আই মোঃ আঃ মান্নান ও কোষ্টগার্ঢ ছিল। তারা কাউকে আঘাত করতে দেখিনি । চলতি কম্বিং অপারেশন ও আসন্ন মার্চ এপ্রিল জাটকা সংরক্ষণ অভিযান বাধাগ্রস্ত করতেই আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।