বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর শহরে ইফতার বাজারে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ কিনতে ক্রেতাদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ৭:৩৪ পিএম
চাঁদপুর শহরে ইফতার বাজারে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ কিনতে ক্রেতাদের ভিড়

রমজানের প্রথম দিন থেকেই চাঁদপুর শহরে বাঙালিয়ানা ইফতার বাজারে মিলছে পুরান ঢাকার সুস্বাদু- সুস্বাস্থ্য – স্বল্প মূল্যে নানা রকমের ঐতিহ্যবাহী ইফতার।

বড় বাপের পোলায় খায়’ কিনতে ক্রেতাদের ভিড়। পুরান ঢাকার বিখ্যাত ইফতারির স্বাদ এই প্রথম চাঁদপুর বাসীর কাছে পৌঁছে দিতে নবমবারের মতো করে বাঙালিয়ানা ইফতার বাজারে আয়োজন করা হয়েছে নানা মুখরোচক ইফতার আইটেম।

৪ মার্চ ৩য় রমজান মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে চাঁদপুর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়ক, স্যামস্যাং শোরুম এর পাশে বাঙালিয়ানা ইফতার বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের এক মাথা থেকে অন্য প্রান্তে ভরে উঠেছে হরেক রকমের ইফতারের আইটেমে। বাতাসে ছড়িয়ে পরেছে সুস্বাদু খাবারের ঘ্রাণ।

ঐতিহ্যবাহী ইফতারের ৬২ আইটেমর ইফতার এখন বিক্রি হচ্ছে বাঙালিয়ানা ইফতার বাজারে। খাসির লেগ রোস্ট ৭০০থেকে ৮০০ টাকা প্রতি পিছ, বড় বাপের পোলা খায় ৮০০ টাকা কেজি, জামাই আদর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, বিপ হান্ডি ১ কেজি ১৪০০ টাকা, চিকেন রোবা ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, বাম্বু চিকেন ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, জাম্বু চিকেন ৬৫০ টাকা, সম্রাট ৭৫০ টাকা।

Model Hospital

বিরিয়ানিপ্রেমীদের জন্য রয়েছে বাসমতি ও চিনিগুড়া চাউলের মাটন কাচ্চি, মোরগ পোলাও, বিফ তেহারি। রোস্টপ্রেমীদের জন্য চিকেন ও মাটনের নানা ভ্যারাইটি। আর কাবাবের সমারোহে রয়েছে চিকেন রেশমি, হরিয়ালি, তন্দুরি, বিফ শিক কাবাবের মতো আইকনিক পদ। এছাড়া হান্ডি কাবাব, ডিম চপ, কালা ভুনা, মাটন হালিমের মতো পুরান ঢাকার বিশেষ আইটেমও পাওয়া যাচ্ছে এখানে।

রোস্ট আইটেমের মধ্যে রয়েছে- চিকেন রোস্ট, চিকেন মাসালা, মাটন লেগ রোস্ট, মাটন রোস্ট। কাবাব আইটেমের মধ্যে রয়েছে- চিকেন রেশমি কাবাব, চিকেন হরিয়ালি কাবাব, চিকেন তন্দুরি কাবাব সহ নানা আইটেমের কাবাব।

বাঙালিয়ান ইফতার বাজারের স্বত্বাধিকারী নাইম জামাল মোল্লা বলেন পুরান ঢাকার বাহারি ইফতারি চাঁদপুর বাসীর জন্য নিয়ে এসেছি। যেহেতু এ অঞ্চলের মানুষের পুরান ঢাকায় যাওয়া কঠিন। তাই তারা এ পুরান ঢাকার ইফতারের স্বাদ নিতে পারে না। যে কারণে আমরা এখানে পুরান ঢাকার ইফতারের ব্যবস্থা করেছি। আমাদের ইফতার আয়োজন গুলোর মধ্যে রয়েছে ৬২ আইটেমর ইফতারের মেনু। বিভিন্ন প্রকারের নান, স্পেশাল নান, বিরিয়ানি,দই বডা, হালিম, ২০ আইটেমের চিকেন, বড় বাপের পোলা খায়, জামাই আদর, রোস্ট, কাবাব, পায়া, বিফ হান্ডি, লাচ্ছি, বিভিন্ন মিল্ক শেক, রেগুলার, স্পেশাল ফালুদা, স্পেশাল জিলাপি, মাঠা ইত্যাদি। দামও মোটামুটি বাইরের তুলনায় কম। যে কেউ এখানে এসে ইফতার করতে পারবেন এবং নিয়ে যেতে পারবেন।

এখানে পরিবেশ ভালো ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ হওয়ায় আরামে ইফতার করা যায়। আমাদের ইনডোরে এক সাথে ষাট জন লোকের ইফতার করার সুব্যবস্থা আছে। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে এখানে হাইজিনটা খুব ভালোভাবে মেনে চলা হয়।

পুরান ঢাকার ইফতারের স্বাদ নিতে আসা ক্রেতা সাইফ বলেন এখানের খাবারে হাইজিন নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। পরিবেশ সুন্দর, শিশুসহ পরিবার নিয়ে আসতে পারছি। বড় বাপের পোলা খায় আর মাটন হালিম কিনেছি। আরও কিছু যদি পছন্দ হয় সেগুলো নেব।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital