রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনে চরমাছুয়া গ্ৰাম ও ফসলী জমি

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩০ পিএম
ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনে চরমাছুয়া গ্ৰাম ও ফসলী জমি
দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ ধনাগোদা সেচ প্রকল্প আজ হুমকির মুখে। ধনাগোদা সেচ প্রকল্প ঘেঁষা ধনাগোদা নদীর তীরবর্তী নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফরাজী কান্দি ইউনিয়নের চরমাছুয়া গ্ৰামের বাড়িঘর ও ফসলি জমি। নদী শাসনের জন্য কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে গ্ৰামের সর্বস্তরের নারী-পুরুষ নদীর পাড়ে ঝড়ো হয়। নদীর সংরক্ষণের দাবি জানান গ্ৰামবাসী।
উপজেলার ফরাজী কান্দি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের প্রায় ১ কিলোমিটার  শ‌ত শত একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিদিনই নদীর তীর ভেঙে নিচ্ছে বাদাম, ভুট্টা, ধান ক্ষেত।
সফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভুট্টা ক্ষেত নদী গর্ভে চলে গেছে।
জানা যায়, উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের চরমাছুয়া গ্রামের বিভিন্ন স্থাপনা, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বেশ কিছু এলাকায় আবার নতুন করে ভাঙা শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কে রয়েছে তিন গ্রামের প্রায় ৫ হাজার বাসিন্দা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কোনো নজর নেই।’ ভাঙন রোধে দ্রুত পানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (পাউবো) ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
মোহাম্মদ হোসেন, ইসমাইল মল্লিক, খলিল মোল্লা, মোহাম্মদ হোসেন মীর, নুরুজ্জামান দেওয়ান, রাব্বানী দেওয়ান, ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রাজিব মল্লিক, ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিয়াম তপাদার অনেকে বক্তব্য রাখেন।
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীর মো. সেলিম শাহেদ বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেনেছি। সরজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।