রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মাত্র ৪৯ হাজার টাকা বেতনের...

চাঁদপুর পৌরসভার ইঞ্জিঃ জাহিদের কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:৫৫ পিএম
চাঁদপুর পৌরসভার ইঞ্জিঃ জাহিদের কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!!

শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক ও ট্রাকরোডে চাঁদপুর পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার জাহিদের ২ টি বাড়ির ছবি।

চাঁদপুর পৌরসভার ইঞ্জিঃ জাহিদের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়,মাত্র ৪৯ হাজার টাকা বেতনের এই কর্মকর্তার শুধু চাঁদপুর শহরেই রয়েছে বেশ কয়েকটি   ফ্ল্যাট।এছাড়াও শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে ডুপ্লেক্স আলিশান বাড়িতে  বসবাস করেন এই কর্মকর্তা। এমনকি ট্রাকরোড বটতলা এলাকায়  ৭  তলা একটি বিলাসবহুল ভবনের মালিকপক্ষের  ৬ জনের ১ জন তিনি।    আদালত পাড়া এসএম টাওয়ারে রয়েছে ১০% মালিকানা  শেয়ার। কালিবাড়ি এপেক্সের পাশে  দিদার বক্সেও তার শেয়ার রয়েছে বলে জানাযায়।
এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খোঁজ নিয়ে  আরো জানাযায়,  মূলত প্ল্যান পাশের নামে  মানুষকে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এমনকি তার কাছ থেকে সাইন নিতে হলে  তাকে দিয়েই বাধ্যতামূলক প্ল্যান পাশ করাতে হয় । এছাড়া অন্য কারো প্ল্যান পাশে  তিনি সাইন করাতো দূরের কথা উল্টো আরো  ভবন মালিকদের সাথে খারাপ  ব্যবহার করেন।
তাদেরকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দিনের পর দিন ঘুরাতে থাকেন। মূলত চাঁদপুর পৌরসভার  বাসিন্দারা ভবন নির্মাণ করতে গেলে  যেন জাহিদ সাহেবের কাছে অনেকটা জিম্মি হতে হয়।
ঠিক এমনই  অভিযোগ করেন  চাঁদপুরের এক চিকিৎসক দম্পতি। তাদের অভিযোগ ইঞ্জিনিয়ার জাহিদের ভুল প্ল্যানের কারণে  তাদের অন্তত অতিরিক্ত ২০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। জানাযায় চাঁদপুর পৌরসভায় ১৮ বছর ধরে কর্মরত  এই কর্মকর্তা। মূলত দীর্ঘ দিন একই জায়গায় থেকে  প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছেন এই কর্মকর্তারা।
তবে এ বিষয়ে  ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ বলেন,  আমার বঙ্গবন্ধু সড়কে বাড়ি আছে। ট্রাকরোডেও সেটাতো আমরা ৬  জন মালিক। আদালতপাড়া এসএম টাওয়ারে আমার কোন পারসেন্টিস নেই  তবে কিছু টাকা আছে তাও সামান্য।  প্ল্যান পাশ আমাকে দিয়ে  করাতে হবে এরকম একটি প্রমাণও দিতে পারবেন না।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।