রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে সমকামি দুই কিশোরীকে পরিবারে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৫৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে সমকামি দুই কিশোরীকে পরিবারে হস্তান্তর

ফরিদগঞ্জে আলোচিত দুই কিশোরীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দুই কিশোরীর মধ্যে সমকামী সম্পর্কের অভিযোগে তাদের পরিবারের সদস্যরা গত শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে থানায় সোপর্দ করেছেন। এরপর রবিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে দুই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে থানার অফিসার ইনচার্জ।
জানান যায়, সমকামী দুই কিশোরীর মধ্যে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া সনাতন ধর্মের লোপা মৃধা আরোহী (১৭) ও চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জের মুসলিম পরিবারের বিলকিস আক্তার রিতু (১৯) এর সাথে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
এরমধ্যে তারা দাবি করে নিজেরা নিজেরা বিয়েও করেছে। এ নিয়ে দুই পরিবারের তাদের বিষয় জানতে পারে। তারা মেয়ে হয়েও অসামাজিক কাজে লিপ্ত। এঘটনার মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেল কোটালীপাড়া থেকে আরোহী ফরিদগঞ্জ রিতুর বাড়িতে আসে। এরপর পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী তাদের আটক করে রাখে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রচার করে।
বিষয়টি জানতে পেরে থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর থানা পুলিশ পরিবারের লোকজনকে খবর দেয় এবং দুই পরিবারের কাছে তাদের হস্তান্তর করে।
সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা দু’জনই মেয়ে এবং ভিন্ন ধর্মের অনুসারী এবং বিভিন্ন বিভাগ ও জেলার বাসিন্দা—একজন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের, অন্যজন গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার। এদের পরিবারের সচেতনতার অভাবে এ ঘটনা ঘটেছে।‌ তাদের এই অসামাজিক কার্যকলাপে অন্যান্য পরিবারেও সমস্যা হতে পারে। তাই আরো বড়ো ধরনের সমস্যা হওয়ার পূর্বেই তাদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ বলে মত প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর, নেট জগতে হইচই পড়ে যায়। নানান রকম মন্তব্য করে নিজেদের ফেইসবুকে ঝড় তুলেছে।
 ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ্ আলম জানান, দুই কিশোরীকে থানায় এনে তাদের পরিবার ও কিশোরীদের সঙ্গে কথা বলে দুই পরিবারকে ডেকে তাদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনা যেন আর না ঘটে তার জন্য পরিবারের লোকজন অনুরোধ করে হয়েছে।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।