রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

হাইমচরে এইচ এসসি পাসের হার ৯৬.৩৮% ও আলীমে ৯২.৮৫%

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৩:৪০ পিএম
হাইমচরে এইচ এসসি পাসের হার ৯৬.৩৮% ও আলীমে ৯২.৮৫%

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে ২টি কলেজে ৭২০ জন শিক্ষার্থী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচ এসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৬৯৪ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। পাসের হার হয়েছে ৯৬.৩৮%। জিপিএ -৫ পেয়েছেন ৫৬ জন। ২ টি কলেজের মধ্যে হাইমচর সরকারি কলেজ পাসের হার ৯৭.১৪% এবং মোয়াজ্জেম হোসেন কলেজ পাসের হার ৯২.২০%।

মাদরাসা বোর্ডের অধিনে হাইমচরে ৩টি মাদ্রাসার ১৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ১৫৬জন। পাসের হার হয়েছে ৯২.৮৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮ জন।

হাইমচর সরকারি কলেজ থেকে ব্যবসা শিক্ষা শাখায় ২১২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছে ২০৩ জন। পাসের হার ৯৫.৭৫% । জিপিএ -৫ পেয়েছেন ৩জন, মানবিক বিভাগ থেকে ২৬১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়েছে ২৫৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন, পাসের হার ৯৭.৭০%, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৪০ জন পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে ১৩৬ জন কৃতকার্য হয়েছে, জিপিএ -৫ পেয়েছে ৪৩ জন, পাসের হার ৯৭.১৪%।

মোয়াজ্জেম হোসেন কলেজ থেকে ব্যবসা শিক্ষা শাখায় ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়েছে ২৯জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২জন, পাসের হার ৯৬.৬৬%, মানবিক বিভাগ থেকে ৭৭জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে কৃতকার্য হয়েছেন ৭১ জন। পাশের হার ৯২.২০% জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২ জন।

Model Hospital

গন্ডামারা এবিএস ফাজিল মাদরাসা থেকে ৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ৪৪ জন। পাসের হার ৯৫.৬৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ জন। কাটাখালি হামিদিয়া মাদরাসা থেকে ৪২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করেছেন ৩৯জন। পাসের হার ৯২.৮৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। আলগীবাজার আলীম মাদরাসা থেকে ৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৭৩ জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৯১.২৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২জন।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।