বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে স্কুল শিক্ষকের দ্বন্ধের অবসান !

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১, ২:৪৯ পিএম
হাজীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে স্কুল শিক্ষকের দ্বন্ধের অবসান !

নিজস্ব প্রতিনিধি : হাজীগঞ্জের ৭নং বড়কূল পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন গাজীর সাথে স্কুল শিক্ষক ফারুক হোসেনের দ্বন্ধের অবসান হয়েছে বলে উভয়ে জানিয়েছেন।

সোমবার দুপুরে স্থানীয় রামচন্দ্রপুর বাজারস্থ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই এক সভার মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন গাজী ও ফারুক হোসেন তাদের নিজ নিজ বক্তব্য তুলে ধরেন। এর আগে গত শুক্রবার রামচন্দ্রপুর বাজারের শ্রীকৃষ্ণের দোকানে চেয়ারম্যানের সাথে ফারুক হোসেনের অনাকাঙ্থিত ঘটনার অভিযোগে ফারুক হোসেন হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে চিকিৎসাসহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ফারুক হোসেন স্থানীয় রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমির শিক্ষক।

সভায় ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন গাজী বলেন, ফারুক হোসেন আওয়ামীলীগের লোক। শুক্রবার সে রামচন্দ্রপুর বাজারের কৃঞ্চের দোকানে আওয়ামীলীগকে গালমন্দ করে। বিষয়টি নিয়ে ঐ দোকানে আওয়ামীলীগের অন্যরা তাকে জিজ্ঞেস করতে গেলে ফারুকের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় আমি তাদেরকে মিলিয়ে দেই ও একত্রে নাস্তা করি। পরে কোন এক কারনে অন্য কারো প্ররোচনায় ফারুক ঐ দিন বিকেলে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় ও ঐ দিন রাতে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। যেখানে ঘটনার সাথে সাথে বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে সেখানে কি করে মামলা পর্যন্ত গড়ালো সেটাই আমার প্রশ্ন। এ ছাড়া ফারুকের দায়ের করা অভিযোগের তদন্তে থানার অফিসার আসলে আমরা রোববার বিকেলে বসে ফের ফারুকের সাথে লিখিত সহকারে আপোষ নিস্পপ্তি করি।

সাংবাদিকদের কাছে ফারুক হোসেন বলেন, চেয়ারম্যানের সাথে যা হয়েছে তা নিতান্ত ভূল বুঝাবুঝি। এ নিয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই। গত রোববার বিকেলে আমি চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে বসে লিখিতভাবে আপোষ করেছি।
আপোষ কপি থানায় জমা দেয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে ফারুক হোসেন বলেন, জমা দিতে চেয়েছি তবে রাত হয়ে যাওয়ার কারনে দেয়া হয়নি।

Model Hospital

উভয় পক্ষের শালিসদার আব্দুর রশিদ বলেন, আমাদের ইউনিয়নের শুনাম নষ্ট করার লক্ষে একটি মহল সুবিধা নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত। বিষয়টি অনুধাবন করে আমরা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসলে তারা স্ব জ্ঞানে স্ব ইচ্ছায় আপোষ নামায় স্বাক্ষর করে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’