বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ঈদবাজারে ক্রেতার ঢল : নারীদের ভিড়ে মুখর মার্কেট

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
চাঁদপুরে ঈদবাজারে ক্রেতার ঢল : নারীদের ভিড়ে মুখর মার্কেট

ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতিতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলো এখন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর।

প্রতিদিন চাঁদপুর পৌর শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটগুলোতে বিপুল সংখ্যক ক্রেতার সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর থাকে এসব মার্কেট।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরুষদের তুলনায় নারী ক্রেতার সংখ্যাই বেশি। শাড়ি, থ্রি-পিস, গাউন, লেহেঙ্গা ও আধুনিক ফ্যাশনের পোশাকের দোকানগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা যায়। পাশাপাশি প্রসাধনী ও কসমেটিকসের দোকানেও নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে কেনাকাটার ব্যস্ততা। প্রিয়জনদের জন্য পছন্দের পোশাক কিনতে ক্রেতারা এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই স্থানীয় বাজারেই কেনাকাটা করছেন, আর শহরের নামিদামি শপিংমলগুলোতে কেনাকাটা করছেন সচ্ছল পরিবারের ক্রেতারা।

Model Hospital

কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন শোভা পাচ্ছে জামদানি শাড়ি, কাতান, সিল্ক, জর্জেট, থ্রি-পিস ও স্কার্টসহ নানা ধরনের পোশাক। এছাড়া পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি, ফতুয়া, টি-শার্ট ও প্যান্ট এবং শিশুদের জন্য বাহারি ডিজাইনের পোশাক ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। গরমের কথা বিবেচনায় অনেকেই আরামদায়ক সুতি পোশাকের দিকেই ঝুঁকছেন।

এদিকে জুতার দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। বিক্রেতাদের মতে, ঈদের কেনাকাটায় নারীদের আগ্রহ সবসময়ই বেশি থাকে। পরিবারের সদস্যদের পোশাক কেনার দায়িত্ব অনেক সময় নারীরাই পালন করেন। নতুন ডিজাইন ও ফ্যাশনের পোশাক বেছে নিতে তারা দোকানে তুলনামূলক বেশি সময় ব্যয় করেন।

ক্রেতাদের অনেকে জানান, বাজারে নতুন ডিজাইন ও ভালো মানের পোশাক পাওয়া গেলেও দাম কিছুটা বেশি। তাদের আশঙ্কা, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে পোশাকের দাম আরও বাড়তে পারে।

ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আগামী দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে এবং মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়ও বৃদ্ধি পাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।