বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের বালিয়ায় ২শ’ টাকায় মিলছে জেলে চাল, পরিমাণেও দেয়া হচ্ছে কম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২, ১:৪৮ পিএম
চাঁদপুরের বালিয়ায় ২শ’ টাকায় মিলছে জেলে চাল, পরিমাণেও দেয়া হচ্ছে কম

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর প্রতিনিধি।। জাটকা ইলিশ রক্ষায় সরকার বিকল্প খাদ্য সহায়তা হিসেবে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে চাউল বিতরণ করছে। নিষেধাজ্ঞার সময় জাটকা নিধন না করার শর্তে প্রত্যেক জেলেকে ২মাসে ৪০ কেজি করে মোট ৮০ কেজি চাল দেয়ার কথা।

কিন্তু চাঁদপুরে সদর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নে চাল কম দেয়ার পাশাপাশি প্রত্যেক জেলেদের কাছ থেকে ২শ’ টাকা করে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে জেলেদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

৫ মার্চ শুক্রবার সকালে সরেজিনে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চাল বিতরণকালে জেলেদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের অসংখ্য জেলে অভিযোগ করে বলেন, প্রত্যেক জেলেকে ৪০ কেজি করে দুই মাসের ৮০ কেজি চাল একসাথে দেয়ার কথা। কিন্তু দেয়া হয়েছে ৭০ থেকে ৭২ কেজি করে। আর প্রতিটি বস্তা বোঙা দিয়ে ফুটো করে চাল কমিয়ে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাতে আগ্রিম ২শ’ টাকা করে নেয়া হয়েছে।

Model Hospital

ক্ষুব্ধ জেলেরা আরো বলেন, দুই মাস নদীতে মাছ না ধরার শর্তে সরকার তাদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে বিনামূল্যে চাল দিচ্ছে। আর বাকি সবকিছুই তাদের কিনে খেতে হয়। অথচ এর পরেও চাল কম দেয়া এবং বিনিয়মে টাকা নেয়াটা জুলুমের মধ্যেই পরে।

টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহিদ হোসেন খান বলেন, সবার কাছ থেকে টাকা নেইনি। কিছু কিছু জেলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। তবে কারো থেকে ২শ’ টাকা, আবার কারো থেকে ১শ’ টাকা করে নেয়া হয়েছে। চাউল উঠানোর পরিবহন খরচ পোষাতেই এই টাকা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল্যা পাটোয়ারি চাউল কম দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ৭৮১ জন নিবন্ধিত জেলের জন্যে ৬৩ টন চাউল বরাদ্দ পেয়েছি। কিন্তু গোডাউন থেকে সঠিক পরিমাণে চাউল পাওয়া যায় না। আর লেবারকে টাকা না দিলে তারা মাল লোড করে না। তাছাড়া প্রতিটি বস্তার ওজন প্রায় ১কেজি। এসব কারনে কিছু চাল কম হয়। সরকারি ভাবে পরিবহন বাবদ যে খরচ দেয়া হয় তাও অনেক কম।

জেলেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি যে অনেক জেলের কাছ থেকে মেম্বাররা ২শ’ টাকা করে নিয়েছে। এটি কোন মতেই ঠিক হয়নি। আমি পরিস্কারভাবে মেম্বারদের বলে দিয়েছি, যাতে তাদের টাকা ফিরিয়ে দেয়া হয়। শুধু ফিরিয়ে দিলেই হবে না, তাদের টাকা বুঝে পাওয়ার স্বাক্ষর এনে আমাকে দেখাতে হবে।
কোন মেম্বারের অনিয়মের দায় আমি নেব না।

উল্লেখ্য : এবছর জাটকা রক্ষা কর্মসূচি সফল করননে টাস্কফোর্সের সভায় চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জেলেদের চাল কম দেওয়া যাবে না। কোথাও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।