বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

“পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি পদকে ধ্বংস করত”

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পিএম
“পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি পদকে ধ্বংস করত”

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump, মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক Trita Parsi। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারসি বলেন, “ট্রাম্পের হাতে আসলেই কোনো ভালো বিকল্প ছিল না।”

পারসি ব্যাখ্যা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল যদি ইরানের শক্তি কেন্দ্র এবং তেল অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ চালাত, তাহলে ইরান প্রতিশোধ হিসেবে সউদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলা চালাত। এ পরিস্থিতিতে ঘনীভূত জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হত, যা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনে। তিনি বলেন, “যদি পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতো, তা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি পদকে ধ্বংস করত।”

পারসি আরও বলেন, ট্রাম্প হুমকি দিয়ে এলে যেন চুক্তি তার শর্তে হয়েছে মনে হয়। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। যুদ্ধবিরতি মূলত ইরানের ১০-পয়েন্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। এই প্রস্তাবে রয়েছে—
ইরানের কন্ট্রোল ধরে রাখা স্ট্রেইট অব হরমুজ,
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি গ্রহণ,
সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার,
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রত্যাহার,
ফ্রিজ করা ইরানি সম্পদ মুক্তি,
ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে চুক্তি বৈধ করা।

পারসি বলছেন, “দেখলে বোঝা যায় যে, চূড়ান্ত আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় পুরোপুরি ইরানের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এগোচ্ছে, যা আরও যুক্তিসঙ্গত এবং সমঝোতামূলক।”

Model Hospital

বিশ্লেষকের মতে, ট্রাম্পের জন্য এটি ছিল রাজনৈতিক এবং কৌশলগতভাবে “একমাত্র নিরাপদ বিকল্প”—যাতে যুদ্ধ সম্প্রসারণ এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য সংকট এড়ানো যায়।

সূত্র: Al Jazeera

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।