শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় মাদকের প্রতিবাদ করায় যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা, থানায় অভিযোগ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
কচুয়ায় মাদকের প্রতিবাদ করায় যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা, থানায় অভিযোগ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় মোহাম্মদ আলী (২৮) নামের এক যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবক বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পালাখাল খালেক মেম্বার বাড়ির নজরুল ইসলামের বসতবাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত মোহাম্মদ আলী ওই ইউনিয়নের মনগাজী মিয়াজী বাড়ির মৃত আবুল খায়েরের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মাদকবিরোধী সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং এলাকায় নিয়মিত মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন প্রধান অভিযুক্ত মো. রাফি (২৫) অন্যান্য বিবাদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোহাম্মদ আলীর ওপর হামলা চালায়। এ সময় ১নং অভিযুক্ত রাফি লোহার গ্যাসের পাইপ দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন, এতে তার মাথায় রক্তাক্ত জখম হয় এবং ১০টি সেলাই দিতে হয়।

Model Hospital

এছাড়া ২নং অভিযুক্ত মো. শাওন লোহার পাইপ দিয়ে পিঠে, ঘাড়ে ও বুকে এবং ৩ ও ৪নং অভিযুক্ত সায়েম ও সিয়াম বাঁশের লাঠি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেদম মারধর করে জখম করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তরা এলাকায় মাদকসেবী ও বখাটে হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন ধরে তারা এলাকায় মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিল। এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় এবং আগের দিন রাতে সংগঠনের লোকজন তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলা চালানো হয়।

হামলার পর স্থানীয় লোকজন মোহাম্মদ আলীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তাদের ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৯৯২৯৫২১৯৭) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।