শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে বসতঘর পুড়ে ভস্মীভূত

মো: রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪, ৯:১৬ পিএম
কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে বসতঘর পুড়ে ভস্মীভূত

চাঁদপুরের কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে ১টি বসতঘর ও ১টি রান্নাঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।

মঙ্গলবার ( ১৬ জানুয়ারী) উপজেলা কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর সড়কের পাশে দোয়াটি গ্রামে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ৩ লক্ষ টাকা দাবী করেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের মৃত লুৎফুর রহমানের ছেলে কামরুল হকের বসত ঘরে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডের সময় বাড়িতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের কেউ ছিল না। পথচারী লোকজন আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে কচুয়া ফায়ার স্টেশনে খবর দেয়।

Model Hospital

এসময় ফায়ার সার্ভিসের আসার আগেই বসতঘর, রান্নাঘরসহ ঘরের মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার কামরুল বলেন, আমি এবং বাবা মাঠের কৃষি জমিতে কাজ করতে যাই, আমার স্ত্রী পাশের বাড়ীতে বাচ্চাদের আরবী পড়াতে যায়। হঠাৎ বাড়ীতে ডাক-চিকিৎকার শুনে এসে দেখি বসত ঘরে আগুন  জ্বছে। দেখতে দেখতে বসতঘর ও রান্নাঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা মালামালের ক্ষতির পরিমান প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। আমরা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিব মজুমদার জয় অগ্নিকান্ডের খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তাৎক্ষনিক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাবার ও শীত বস্ত্র প্রদান করেন।

কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ মাহতাব মন্ডল জানান, অগ্নিকান্ডে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি।

প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে।

হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচৈই গ্রামের দিনমজুর মীর হোসেন গাজীর অসহায় পরিবারের ১১ মাসের কোলের সন্তান রামিছা আক্তারের বাম চোখে ধরা পড়েছে টিউমার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, যার জন্য বিপুল অর্থের দরকার। হতদরিদ্র এই পরিবার শিশুটির চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

​আপনাদের একটু সহানুভূতি ও সহায়তায় পারে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি শিশুটির পাশে এগিয়ে আসেন, তবে হয়তো সে নতুন জীবন ফিরে পাবে। আসুন, আমরা মানবতার ডাকে সাড়া দিই।

​সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: আপনার অনুদান পরিবারের সরাসরি নিচে দেওয়া বিকাশ নাম্বারে পাঠাতে পারেন:
​বিকাশ নাম্বার (পার্সোনাল): 01836790097