শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের তৈরি করা বিভিন্ন হস্তশিল্প পরিদর্শন

বন্দির হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তরিত করতে হবে : দায়রা জজ মহসিনুল হক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪, ৭:০৬ পিএম
বন্দির হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তরিত করতে হবে : দায়রা জজ মহসিনুল হক

চাঁদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ  মোঃ মহসিনুল হক বলেছেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কারাবন্দিদের সমাজে একজন কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বন্দিদশা শেষে প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে তারা টাকা রোজগারের সুযোগ পাবেন এবং এর মাধ্যমে অপরাধ প্রবণতা কাটিয়ে পরিবারের রোজগারের উৎস হয়ে উঠতে পারবেন এবং তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে পরিবার ও দেশের জন্য কাজ করতে পারবে।

তিনি ৩০ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, কারাগারকে সংশোধনাগার করতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যাতে মাদক ব্যবসায়, ছিনতাই, চুরিসহ নানা অপরাধ করে আসা আসামিরা বের হয়ে সৎ কর্ম করে জীবন যাপন করতে পারেন।

মোঃ মহসিনুল হক বলেন, এখন দিন বদলেছে। সরকার অপরাধীদের শুধু শাস্তি দেওয়ার জন্য কারাগার করেনি, তারা যাতে সমাজের বোঝা না হয়ে দাঁড়ায়, সেজন্য তাদের সংশোধন করে বন্দির হাতকে কর্মীর হাতে বাস্তবায়ন করার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

Model Hospital

চাঁদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ  বন্দিদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন, এবং কারা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিক নিদের্শনা দেন। কারা বন্দিরা তাদের হাতে তৈরি করা বিভিন্ন হস্তশিল্প তাঁকে হস্তান্তর করলে তিনি বন্দিদের পাঁচ হাজার টাকা প্রণোদনা প্রধান করেন।

এসময় চাঁদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকারিয়া হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাশেদুল হক চৌধুরী,  জেলার মুহাম্মদ মুনীর হোসাইন, ডেপুটি জেলার আবু ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।

হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচৈই গ্রামের দিনমজুর মীর হোসেন গাজীর অসহায় পরিবারের ১১ মাসের কোলের সন্তান রামিছা আক্তারের বাম চোখে ধরা পড়েছে টিউমার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, যার জন্য বিপুল অর্থের দরকার। হতদরিদ্র এই পরিবার শিশুটির চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

​আপনাদের একটু সহানুভূতি ও সহায়তায় পারে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি শিশুটির পাশে এগিয়ে আসেন, তবে হয়তো সে নতুন জীবন ফিরে পাবে। আসুন, আমরা মানবতার ডাকে সাড়া দিই।

​সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: আপনার অনুদান পরিবারের সরাসরি নিচে দেওয়া বিকাশ নাম্বারে পাঠাতে পারেন:
​বিকাশ নাম্বার (পার্সোনাল): 01836790097