বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় সমলয়ে বোরো ধান চাষের উদ্বোধন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ২:২৭ এম
কচুয়ায় সমলয়ে বোরো ধান চাষের উদ্বোধন

কচুয়ায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে সমলয়ে বোরো ধান রোপন করা হচ্ছে।

কচুয়ায় সমলয়ে বোরো ধান চাষের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে কচুয়া কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলার প্রসন্নকাপ গ্রামের মাঠে রাইস প্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপণ করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

এসময় তিনি বলেন,প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের যুগোপযোগী পদ্ধতি হচ্ছে সমলয় চাষ। বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট থেকে সুরক্ষা দিতে কচুয়ায় কৃষকদের মধ্যে সমলয়ে চাষাবাদ ধানের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সমলয় চাষাবাদ কর্মসূচির আওতায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সমলয় পদ্ধতির মাধ্যমে ৫০ একর জমিতে ৭২ জন কৃষক বোরো ধান চাষ করছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও কৃষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ ওসমান গনির সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আবু তাহের, স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মেজবাহ উদ্দিন।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মেজবাহ উদ্দিন জানান, সমলয় চাষাবাদ মুলত একই মাঠে একই সময়ে একই জাতের ধান চাষ, ধানের বীজ বপন, চাষাবাদ ও ধান কাটার পদ্ধতি।

কচুয়ায় সমলয়ে বোরো ধান চাষাবাদের কৃষক সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

সমলয়ে সকল কৃষক সমান তালে ধান রোপণ থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত যাবতীয় কাজ করে থাকেন। সমলয় পদ্ধতিতে ধানের বীজ প্লাস্টিকের ট্রেতে বপন করা হয়। এ আবাদ পদ্ধতিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও মাড়াই মেশিন ব্যবহার করা যায়।

এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্ত রনি, কচুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম.আব্দুল হালিম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শম্ভুনাথ দাস,অমল চন্দ্র সরকার, ফারুকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কৃষক প্রতিনিধি মাওলানা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সমলয় চাষাবাদ পদ্ধতিতে আবাদ করে কৃষকের লোকসান কমে গেছে। ধান রোপণের খরচও কমেছে। রাইস প্লান্টার মেশিন দিয়ে ধান রোপণ করায় শ্রমিক খরচ সাশ্রয় হয়েছে। সকল চাষী একই সঙ্গেএকই পদ্ধতিতে ধানের আবাদ করে থাকি। সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করায় কৃষক উপকৃত হচ্ছে। এতে আমাদের ধানের উৎপাদন বেড়েছে। জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের ব্যবহার না করেই আমরা চাষাবাদ পদ্ধতি শিখেছি। সরকারের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

একইদিন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন প্রসন্নকাপ গ্রামে ১শত শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital