শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

এসএসসিতে মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৫৬.২০ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ১২:২২ এম
এসএসসিতে মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৫৬.২০ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন

চলতি বছরের (১০ জুলাই-২০২৫) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ২ হাজার ৩শ’ ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১ হাজার ২শ’ ৯৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

যার শতকরা পাসের হার ৫৬.২০। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে মতলব জেবি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যলায় থেকে ১৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৩৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২জন। পাসের শতকরা হার ৭৭.৫৩। মতলব জেবি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১১৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। পাসের শতকরা হার ৭০.৮৩। কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৩৬.৫৮। আশ্বিনপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ১০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের শতকরা হার ৬০.৭৪। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৪৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। পাসের শতকরা হার ৬৭.৭৩। মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের শতকরা হার ৫১.৬৯। বোয়ালিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৪৪.১৯।

নওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৬৪.২৯। বরদিয়া কাজী সুলতান আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৬৯.৮১। হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৩৯.৮২। লাকশিবপুর ফিরোজা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৫৯.৬৭। নায়েরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৩৩.৬৬। নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৩৮.৮৯। আধারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৫১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৬৬.২৩।

Model Hospital

বহরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৭১.৭০। বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৬৭.১৬। দগরপুর আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৫৩,৪২। ধলাইতলি জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৭৩.৬৮। কাচিয়ারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৬৮.০০।

কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই।পাসের শতকরা হার ২৯.০৭। আচলছিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪৪.৬৪। কাশিমপুর পুরণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ১৬.০০। লামচরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৩৪.৭৮।

পয়ালী কেবিএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪২.৫০। আদর্শ স্কুল মতলব থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৫৮.২৩। দিঘলদী এমএ সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪৭.৮৯।

আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন ঢালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের শতকরা হার ৫৩.০১। ডিঙ্গাভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নেই। পাসের শতকরা হার ৪১.৫১। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। পাসের শতকরা হার ৯৭.২৯।

শাহরাস্তি ইউথ ফোরামের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

শাহরাস্তি থানা মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে : ওসি মীর মাহবুবুর রহমান

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৫ এম
শাহরাস্তি থানা মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে : ওসি মীর মাহবুবুর রহমান

‘সুস্থ দেহে সুন্দর মন, গড়ে তোলে ক্রীড়াঙ্গন’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে শাহরাস্তি ইউথ ফোরাম।

উপজেলার কুলশী বটতলায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় তরুণ ও যুবকদের হাতে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। শাহরাস্তি ইউথ ফোরামের বাস্তবায়নে এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ নুরুজ্জামান ভূঁইয়া প্রিন্সের সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহরাস্তি ইউথ ফোরামের সভাপতি ইঞ্জিঃ মোঃ ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান।

তিনি তার বক্তব্য বলেন, প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেয়। তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত খেলাধুলা করলে শরীর ও মন সুস্থ থাকে, শৃঙ্খলাবোধ তৈরি হয় এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হয়।

Model Hospital

অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে আরও সক্রিয় হতে হবে। শাহরাস্তি থানা মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি তরুণদের জন্য ইতিবাচক ও সৃজনশীল পরিবেশ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগকে আমরা সবসময় উৎসাহিত করব।বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিকল্প নাই।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহরাস্তি মডেল থানার তদন্ত ওসি রফিকুল ইসলাম, শাহরাস্তি পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ বেলায়েত হোসেন সেলিম, শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা, শাহরাস্তি পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন নয়ন, টামটা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব হাসান বাবলু।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি ইউথ ফোরামের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন পাটওয়ারী, টামটা দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মোমেন শিকদার এবং মেহের ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রভাষক আরিফুর রহমান।

এ সময় শাহরাস্তি ইউথ ফোরামের সহ-সভাপতি মোঃ বোরহান উদ্দিন মিয়াজি, মাওলানা কামরুল হাসান বাবু, ফিরোজ আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল মোহন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আরফিন রবিন, কার্যকরী সদস্য শাখাওয়াত হোসেন হৃদয় ও রিশাদ ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা তৈরি হয়। এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।