বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ১৫৫ মে. টন ধান ও ১৫২ মে. টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ, লক্ষ্যমাত্রা ১২৭১ মে. টন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুন, ২০২২, ৪:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ১৫৫ মে. টন ধান ও ১৫২ মে. টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ, লক্ষ্যমাত্রা ১২৭১ মে. টন

নোমান হোসেন আখন্দ : “ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” অভ্যন্তরীন খাদ্যশস্য সংগ্রহ আওতায় শাহরাস্তি উপজেলায় চলতি ২০২২ বোরো মৌসুমে এ পর্যন্ত ১ শত ৫৫ মেট্রিক টন ধান ও ১ শত ৫২ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে।

শাহরাস্তি উপজেলার জন্য সরকারের চলতি ২০২২ বোরো মৌসুমে ১ হাজার ২ শত ৭১ মেট্রিক টন ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা থাকলে ও খুচরা বাজারে ধানের দাম বেশী হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় বাধা বলে দেখছেন উপজেলা গুদাম (পরিদর্শক) মো: মজিবুর রহমান।

তিনি জানান, সরকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি মন ধান ১ হাজার ৮০ টাকা ধরে ক্রয় করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

কৃষকরা বাজারে প্রতিমন মোটা ধান ১১০০ থেকে ১১৫০ টাকা, ও চিকন ধান ১২০০ থেকে ১২২০ টাকা ধরে বিক্রি করছেন। কৃষকরা খুচরা বাজারেই ধানের বেশী মূল্য পাওয়ায় সরকারী গোডাউনে অনেক কৃষকই ধান দিতে অনিহা প্রকাশ করছেন, সেক্ষেত্রে এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে।

Model Hospital

স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, ধান বাজারে নিলেই আমরা বেশী মূল্য বিক্রয় করতে পারছি, কোন নিয়মের বালাই নেই। সরকারের গোডাউনে ধান দিলে, পুরো শুকনো কিনা (আদ্রতা) ঠিক আছে কিনা, চিটা আছে কিনা, দামে ও ৫০ থেকে ১শত টাকা কম পাওয়া যায় বিভিন্ন নিয়ম অনুসরন করতে হয়।

এছাড়া চিকন ও মোটা ধান একই মূল্য বিক্রি করতে হয়, সেজন্য আমরা সরকারী গোডাউনে ধান দিচ্ছি না।

তারা আরো জানান, আগে বাজার থেকে সরকারী গোডাউনে ধানের দাম বেশী পেয়েছি, তাই ধান দিয়েছি, বর্তমানে তার উল্টো, সরকারী গোডাউন থেকে বাজারে ধানের দাম বেশী পাচ্ছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।