বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে নিখোঁজের পর সাংবাদিকপুত্রের লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১, ৩:১১ পিএম
শাহরাস্তিতে নিখোঁজের পর সাংবাদিকপুত্রের লাশ উদ্ধার

নোমান হোসেন আখন্দ : চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরসাক পূর্ব পাড়ায় শনিবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ডোবা থেকে সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র রিমন হোসেন জনি’র (১৮) অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে উপজেলার ইত্তেফাক সংবাদদাতা জসিম উদ্দিনের পুত্র।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন বিকেলে ওই গ্রামের ইসমাইল মিয়াজি বাড়ির ডোবায় শ্রমিকরা কাজ করতে গেলে সেখানে একটি অর্ধ গলিত মৃতদেহ ভাসতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এদিকে মৃতদেহটি ওই গ্রামের বাসিন্দা দৈনিক ইত্তেফাকের শাহরাস্তি উপজেলা সংবাদদাতা মোঃ জসিম উদ্দিনের পুত্র মো. রিমন হোসেন জনি’র (১৮) বলে নিশ্চিত করেছেন নিহতের ছোট বোন রিসনাত জাহান ঝুমুর (১৩)। নিহতের পকেটে থাকা ম্যানিব্যাগে তার মায়ের ছবি দেখে মৃতদেহটি রিমনের বলে তারা শনাক্ত করেছে।

নিহতের পিতা শাহরাস্তি উপজেলা ইত্তেফাক সংবাদদাতা জসিম উদ্দিন জানান, গত ২ নভেম্বর হতে রিমন নিখোঁজ রয়েছে। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়ে রিমনের সন্ধান না পেয়ে গত ১৮ নভেম্বর তিনি শাহরাস্তি থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন। পরনে থাকা জিন্স প্যান্ট দেখে তিনি মৃতদেহটি তার পুত্রের বলে নিশ্চিত হয়েছেন।

Model Hospital

এ বিষয়ে গত ১৮ নভেম্বর শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেন সাংবাদিক জসিম উদ্দিন । সাংবাদিক জসীম উদ্দিন জানান, গত ২ নভেম্বর নিখোজের পর থেকে আত্বীয় স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের বাড়ীতে খোঁজাখুজি করা হয়েছে। আমার কোন শক্রু নেই।

শাহরাস্তি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবদুল মান্নান জানান, ‘বাড়ির পাশের ডোবা থেকে রিমনের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের প্যান্ট ও মানিব্যাগ দেখে তার পিতা ও পরিবারের লোকজন লাশটি রিমনের বলে নিশ্চিত করেছে।মৃতদেহ অর্ধ গলিত হওয়ায় মৃত্যুর ব্যপারে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।