শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলাম, কুরআন ও দেশপ্রেমিকের বাংলাদেশ : শাহজাহান মিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:৩৬ পিএম
আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলাম, কুরআন ও দেশপ্রেমিকের বাংলাদেশ : শাহজাহান মিয়া

জামায়াতে ইসলামীর চাঁদপুর জেলার সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া বলেছেন, জুলুম, নির্যাতন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প কোনো কিছু নেই। জামায়াতে ইসলামী একটি পরীক্ষিত দল। যে দলের শাসন ব্যবস্থা আমরা দেখিনি।

তিনি আরও বলেন, অনেক দলের দুঃশাসন দেখেছি। বিশেষ করে বিগত ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসন ও স্বৈরতন্ত্র দেখেছি। তারা এদেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে বহরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শাহজাহান মিয়া।

শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলাম, কুরআন ও দেশপ্রেমিকের বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশে কোনো ক্ষুধা, দারিদ্র্য, দুর্নীতি, দুঃশাসন, মামলা-হামলা, রিমান্ড, আয়নাঘর ও ক্রসফায়ার থাকবে না। থাকবে মানুষের ভোটের অধিকার। এরকম একটি বাংলাদেশ আমরা সবাই চাই।’

Model Hospital

ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইনের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের রুকন (সদস্য) নেয়ামত উল্লাহর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সদর উপজেলা জামায়াতের আমির আফসার উদ্দিন মিয়াজী, সেক্রেটারি মুহাম্মদ জুবাইর হোসাইন খান, সহকারী সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদ, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল কবির প্রমুখ।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।