মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় মারধরের ৩৬ দিন পর যুবকের মৃ ত্যু : বিচারের দাবি পরিবারের

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:১৩ পিএম
কচুয়ায় মারধরের ৩৬ দিন পর যুবকের মৃ ত্যু : বিচারের দাবি পরিবারের

নিহত সুজন ও ইনসেপ্টে কান্না জনিত অবস্থায় মা মরিয়ম বেগম।

চাঁদপুরের কচুয়ার তেতৈয়া গ্রামে পাওনা টাকা চাওয়ায় সুজন (২১) নামের এক যুবককে বৈদ্যুতিক খুটিঁর  সাথে বেধেঁ অমানবিক নির্যাতনের ১ মাস ৬দিন পর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী সুজন হত্যাকারীদের সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
নিহত পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ ডিসেম্বর সকালে তেতৈয়া গ্রামের অধিবাসী মৃত. আবু তাহেরের পুত্র সুজন একই এলাকার হারুনুর রশিদের পুত্র সাদ্দামের কাছে রাজমিস্ত্রী কাজের পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডা হয় উভয়ের।
এসময় সাদ্দামের নেতৃত্বে হানিফ,ইউনুছ ও কেরামত আলীসহ বেশ কয়েকজন লোকজন সুজনকে তেতৈয়া আদর্শ মোল্লা মার্কেটের একটি বৈদ্যুতিক খুটিঁর সাথে প্রকাশ্যে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ দাবি করে থানা পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। নিহত সুজন স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন।
নিহতের মা মরিয়ম বেগম জানান, আমার নিরপরাধ পুত্রকে মারধর করে জেলে পাঠায়। পরে ১১ ডিসেম্বর তার জামিনের পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। অসুস্থ্য অবস্থায় ২৩ ডিসেম্বর চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা দেয় এবং ৮ জানুয়ারি রাতে তার মৃত্যু হয়। আমি আমার ছেলে হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
নিহতের ভাই বিল্লাল হোসেন,মহসিন,সুমন সহ আরো অনেকে জানান, সুজন লেখাপড়ার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রির কাজ করত। পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে তারা আমার ভাইয়ের উপর অমানবিক নির্যাতন ও মারধর করে পুলিশে দেয়। প্রতিপক্ষদের অমানবিক নির্যাতনের কারন ও চিকিৎসার অভাবে আমার ভাই মারা গেছে। খোঁজ খবর না নিয়ে উল্টো হামলাকারীরা আমাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম  জানান, বদরপুর গ্রামের একটি ইফতার পার্টিতে হামলা ও বাধার ঘটনায় সন্দেহমূলক আসামী হিসেবে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছিল। তবে আসামী মারা যাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।

মক্তবে যাওয়ার পথে সড়কে থেমে গেল রাফিয়ার জীবন

মেহেদি হাসান রিমেল প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ পিএম
মক্তবে যাওয়ার পথে সড়কে থেমে গেল রাফিয়ার জীবন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মক্তবে যাওয়ার পথে প্রাইভেটকারের চাপায় রাফিয়া আক্তার (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার ভোরে হাজীগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কের পাতানিশ মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাফিয়া উপজেলার পাতানিশ গ্রামের বেপারী বাড়ির এমরান বেপারীর মেয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা মামুন জানান, ভোরে মক্তবে পড়তে যাওয়ার সময় সড়ক পার হচ্ছিল রাফিয়া। এ সময় একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মেয়েকে হারিয়ে বাবা এমরান বেপারী বলেন, “সকালে মক্তবে পড়তে পাঠাইছি। আমার মেয়ে লাশ হয়ে ফিরলো।”

Model Hospital

এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।