বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে হাটবাজারজুড়ে অপরিপক্ব তরমুজ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৮:৫৬ পিএম
চাঁদপুরে হাটবাজারজুড়ে অপরিপক্ব তরমুজ

পবিত্র রমজান এলেই চাঁদপুরে হাটবাজারে আগাম তরমুজ উঠতে শুরু করে। এবছরও রমজানের প্রথম দিন থেকে ট্রলারে করে দক্ষিণাঞ্চল থেকে হাজার হাজার তরমুজ চাঁদপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে। দাম ভালো পাওয়ায় অপরিপক্ব তরমুজ বাজারজাত করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

চাঁদপুর শহরের চৌধুরীঘাটে দক্ষিণাঞ্চল থেকে প্রতিদিন ১৫-২০টি ট্রলার ও বাল্কহেড করে নিয়ে আসা হচ্ছে তরমুজ। আর সেই তরমুজ চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার মানুষের চাহিদা মেটাচ্ছে। তরমুজের সরবরাহ বাড়ায় কর্মব্যস্ততা বেড়েছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের। প্রতিটি নৌযানে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার তরমুজ আসে।

এদিকে চাঁদপুরে আসা বেশির ভাগ তরমুজ ছোট ও মাঝারি আকারের। যার কারণ অধিকাংশ তরমুজ অপরিপক্ব। বিশেষ করে স্থানীয় বাজার ও ভ্যানে করে যারা বিক্রি করছেন, তাদের তরমুজগুলো অপরিপক্ব।

বরিশালের গলাচিপা থেকে আসা ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন ও আলমগীর বেপারী বলেন, এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় তরমুজের ভালো ফলন হয়েছে। রমজানে তরমুজের চাহিদা থাকে, তাই আগেভাগে তরমুজ নিয়ে এসেছি। দাম বেশি থাকায় আমরা লাভবান হচ্ছি। একটি ট্রলারে হাজারো তরমুজ আসে। এরমধ্যে কিছু অপরিপক্ব থাকতে পারে।

Model Hospital

কৃষকরা জানান, বরিশাল, গলাচিপা, ভোলা, পটুয়াখালী, রাঙাবালি, বাংলাবাজার, ইলিশা, মজিবনগর, চরকাজল, চরবিশ্বাস, পাতারহাঠ এসব জায়গায় তরমুজ বেশি হয়। আর সেই তরমুজ ট্রলার ও বাল্কহেডে করে চাঁদপুর চৌধুরীঘাটে নিয়ে আসা হয়। এখানে দাম বেশি থাকায় কৃষকরা তরমুজ সরবরাহ করেন।

ক্রেতা মামুন খান বলেন, রমজানের প্রথম দিন সাড়ে ৩০০ টাকা দিয়ে একটা তরমুজ কিনেছি। কিন্তু বাড়ি নিয়ে কেটে দেখি পুরো সাদা। বেশির ভাগ তরমুজ এখন অপরিপক্ব। তরমুজ পরিপক্ব হওয়ার আগেই বাজারে নিয়ে আসা হয়।

চৌধুরীঘাট এলাকার ব্যবসায়ী মো. সাইফুদ্দিন বলেন, প্রতিবছর এই মৌসুমে কৃষকরা তরমুজ চাঁদপুরে নিয়ে আসেন। আর এখানকার তরমুজ স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাকে করে নিয়ে যান অন্য ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে চাঁদপুরের বাজারে ছোট আকারের ১০০ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা। আর মাঝারি আকারের ১০০ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ হাজার টাকা। এছাড়া চাহিদার শীর্ষে থাকা বড় আকারের ১০০ তরমুজ ২০-২২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চৌধুরীঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সিকদার জানান, প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২০-৩০ হাজার তরমুজ ঘাটে আসে। প্রথম দিকে তরমুজ কিছুটা অপরিপক্ব থাকতে পারে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।