শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর শহর জামায়াতের অ্যাড. মোঃ শাহজাহান খান

আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ৮:৫০ পিএম
আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ

চাঁদপুর দারুস সালাম জেলা জামায়াত কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ বুধবার দুপুর ২ টায় চাঁদপুর শহর জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শহর জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাড. মোঃ শাহজাহান খান।

এসময় তিনি বলেন, ‘২৫ শে মার্চের কালো রাত্রি, ২৬ শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস, ৪ আগস্ট এদেশের ছাত্রজনতার জীবন দেয়া এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়া একই সূত্রে গাঁথা। এদেশের মানুষ বার বার জুলুম শোষণ থেকে মুক্ত হতে জীবন দিতে হয়েছে।

আমরা দীর্ঘ ৯মাস সংগ্রাম করার পর স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু আমরা স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও আমরা মুক্তি পাইনি। আমরা ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত হতে ছাত্রজনতার আন্দোলন করে জীবন দিতে হয়েছিলো। এদেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করার জন্য পেশীবাদি সৈরাচার হাসিনার সরকারকে এদেশের ছাত্রজনতা পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছিলো। আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এদেশের ছাত্রজনতা নারী পুরুশ ৩৬ জুলাই আন্দোলনে জীবন দিয়েছিলো। লক্ষছিলো একটা এদেশে সবাই শান্তিতে বসবাস করবে। যে দেশে কোন শোষণ থাকবে না এবং জুলুম থাকবে না।’

Model Hospital

শহর জামাতের সেক্রেটারি শেখ মোঃ বেলায়েত হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম সবুজ, শহর জামাতের অফিস সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক, শহর জামাতের নেতা অ্যাডভোকেট মামুন হোসেন মিয়াজী, চাঁদপুর পৌর ১০ নং ওয়ার্ড সভাপতি গোলাম মাওলা, ১২ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আবু হানিফ, শহর শ্রমিক কল্যাণ প্রদর্শনের সভাপতি আব্দুল হাই লাভলু বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।