রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভেজাল হলুদ মরিচের গুড়ো বিক্রি : চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৩২ পিএম
ভেজাল হলুদ মরিচের গুড়ো বিক্রি : চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসক এর সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক চাঁদপুর শহরের পুরাণ বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক লঙ্ঘনজনিত অপরাধে পুরান বাজারে কাঁচা কলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক স্প্রে করে পাকানোর দায়ে মোক্তার হোসেনকে ১০ হাজার টাকা, নষ্ট ও পঁচা মরিচ ভাঙিয়ে বিক্রয় করায় ইউসুফ খান কে ২০ হাজার টাকা এবং হলুদের সাথে রং মিশিয়ে বিক্রি করায় দুলাল সাহাকে ৩০ হাজার টাকাসহ মোট তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান।
চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তায় অভিযানকালে পুরান বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়। এবং অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় এই ধরনের অনিয়ম করা থেকে বিরত থাকবেন বলে অঙ্গীকার করেন।
চাঁদপুর পুরান বাজারের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করছেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান।
এ অভিযান পরিচালনাকালে আবদুল্লাহ আল ইমরান বলেন, ভবিষ্যতে যেন এরূপ অনৈতিক ও অযৌক্তিক কার্য থেকে বিরত থাকে তার জন্য আইনগত হুশিয়ারি করা হয়। এছাড়াও নিয়মিত মনিটরিং এর অংশ হিসেবে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করা হয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কর্মকান্ড হতে বিরত থাকার জন্য লিফলেট ও পাম্পলেট বিতরণ করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে সকল ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙানো, ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি করা, ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ করা, নকল ও ভেজাল পণ্য/ঔষধ বিক্রয় থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ মজুদদারী করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে চাঁদপুর ভোক্তা অধিদপ্তরের এমন অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
এসময় চাঁদপুর জেলা ক্যাবের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।