রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ৬’শ কেজি জাটকাসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:০৯ পিএম
চাঁদপুরে ৬’শ কেজি জাটকাসহ আটক ২
চাঁদপুরে পিকআপ ভর্তি ৬’শ কেজিরও অধিক জাটকাসহ দুই জনকে আটক করেছে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ।
২৫ এপ্রিল শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর শহরের মিশন রোড থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মাছ নিয়ে যাওয়া ব্যক্তি মোস্তফা গাজী ও পিকআপ চালক আনোয়ার শেখ।
জানা যায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১০ টায় চাঁদপুরের হরিনা এলাকা থেকে ঢাকা মেট্টো-ন ১৯-৮৮৮৯ নম্বরের একটি পিকআপ ভ্যানে করে জাটকা মাছ গুলো শহরের বঙ্গবন্ধ সড়ক দিয়ে চাঁদপুরের বাহিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। গোপন সংবাদে এই তথ্য পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার এস আই মোঃ আওলাদ হোসেন সঙ্গীয়ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে মিশন রোড মোড়ের বঙ্গবন্ধু সড়কের অভিমুখ থেকে তাদেরকে আটক করেন।
পরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সরকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  সাজিদ  হক ভাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের দু,জনকে সর্বমোট ৫ হাজার দুই ২০০ টাকা ও জরিমানা করা হয়। এরমধ্যে গাড়ি চালক আনোয়ার শেখকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয় এক মোস্তফা গাজীকে ২০০ টাকা জরিমানা ও এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভাম্যমান আদালত।
এদিকে একটি সূত্র থেকে জানা যযায়, জাটকা ইলিশ রক্ষায় মার্চ এপ্রিল দুই মাস পদ্মা ও মেঘনা নদীতে অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে সরকার। অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা প্রতি রাতে পিকআপ ভ্যান বোঝাই করে জাটকা ইলিশ পাচার করছে ঢাকায়।
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানায়, অভয়শ্রম চলাকালীন সময়ে সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিনা জাটকা মাছ পাচারকারী মুক্তার চইদার জাহাঙ্গীর চইদার, মোস্তফা শেখ, সোলেমান সরকার, সজীব রাঢ়ী, ও রুবেল শেখ মিনি ট্রাক বোঝাই করে জাটকা পাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ বিক্রি করেছে।
গোপন সংবাদে এই তথ্য পেয়ে পিকআপ ও জাটকা গুলো আটক করে মডেল থানা পুলিশ।
জব্দকৃত মাছগুলো জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কোল্ড স্টোরে নিয়ে রাখা হয়। পরবর্তীতে সেগুলো হতদরিদ্র অসহায় গরীব ও এতিমখানায় দেওয়া হবে বলে জানায় পুলিশ।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।