শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে প্রশাসনের নজরদারিতে জ্বালানি তেল বিক্রি, বাড়তি চাপ অকটেনে

মো. মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১২ পিএম
শাহরাস্তিতে প্রশাসনের নজরদারিতে জ্বালানি তেল বিক্রি, বাড়তি চাপ অকটেনে
শাহরাস্তি উপজেলায় জ্বালানি তেল মজুদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও অকটেনের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (০৪ এপ্রিল ২০২৬) সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  হিল্লোল চাকমা (এসিল্যান্ড) এর নেতৃত্বে শাহরাস্তি উপজেলার দোয়াভাঙ্গা এলাকার হান্নান ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে ডিজেল ও অকটেনের মজুদ যাচাই করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, চাহিদা অনুযায়ী ডিজেলের মজুদ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে অকটেন সরবরাহ নিয়ে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, গত ০১ এপ্রিল থেকে চার দিনে পর্যায়ক্রমে ৩০০০+৩০০০+৪৫০০ লিটারসহ মোট ১০,৫০০ লিটার অকটেন সরবরাহ পাওয়া গেলেও প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, মোটরসাইকেল প্রতি ৫০০ টাকা এবং প্রাইভেটকার প্রতি ১০০০ টাকার অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এ স্টেশনে দৈনিক অকটেন বিক্রি ছিল মাত্র ১৬০০ থেকে ২০০০ লিটার।
পরিদর্শনের সময় স্টেশন এলাকায় ২৫০ থেকে ৩০০টি মোটরসাইকেল অপেক্ষমাণ অবস্থায় দেখা যায়। সকাল ১১টা থেকে বিক্রি শুরু হওয়ার পর বেলা ২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ৩১০০ লিটার অকটেন বিক্রি হয় এবং আরও প্রায় ১৪০০ লিটার বিক্রি চলমান ছিল।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্যাগ অফিসার, শাহরাস্তি থানা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের একটি যৌথ টিম দায়িত্ব পালন করছে। একইসঙ্গে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তা আটক করা হচ্ছে।
এর আগে, গত ২৮ মার্চ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  (ইউএনও) নাজিয়া হোসেনের নির্দেশনায় উপজেলার হান্নান ফিলিং স্টেশন ও ওয়ারুক এলাকার কাজী ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা পরিদর্শনে গিয়ে দেখেন, ডিপো থেকে সরবরাহ বন্ধ থাকায় উভয় স্টেশনেই অকটেন সংকট দেখা দেয়। পরবর্তীতে সীমিত সরবরাহ পেলে তা রেশনিং পদ্ধতিতে বিতরণ করা হয়।
অভিযানকালে স্টক রেজিস্টার যাচাই করে জ্বালানি তেলের মজুদ সঠিক পাওয়া যায় এবং পাম্প মালিকদের সতর্ক করে বলা হয়—কোনো অবস্থাতেই জ্বালানি তেল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা যাবে না বা বিক্রি বন্ধ রাখা যাবে না।
এসিল্যান্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কেউ যদি অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে বাজারে সংকট সৃষ্টি করে বা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিলের মতো পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা প্রশাসন আরও জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital