ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে জমায়াতে সালাত আদায় কারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সোনাপুর গ্রামের ঐতিহাসিক জামে মসজিদে ৪০দিন জামায়াতের সহিত সালাত আদায় কারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। ১১ মার্চ শুক্রবার বেলা ৩ ঘটিকায় সোনাপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল হোসেন পাটওয়ারী (লাভলু)।
উক্ত অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মোয়াজ্জেন  হাফেজ মোঃ: ইলিয়াস ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সাবেক ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শহিদুল্লাহ পাটওয়ারী, সোনাপুর জামে মসজিদের সাবেক খতিব হাফেজ রবিউল ইসলাম,সাবেক খতিব মাওলানা জাকির হোসেন, শাহরাস্তি পৌরসভার ৪ ওয়ার্ড়ের কমিশনার ও প্যানেল মেয়র মোঃ সাহাব উদ্দিন আলম, স্থানীয় কাজির কাপ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মোঃ রুহুল আমিন, সোনাপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম জনাব ইমাম হোসেন এবং মসজিদের মোতাওয়াল্লী জনাব মোঃ শাহজাহান।
ঐতিহাসিক সোনাপুর জামে মসজিদের সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, জামায়াতে নামাজ পড়াকে উৎসাহিত করতে আমরা বিগত ১৪ জানুয়ারি শুক্রবার ঘোষণা করেছিলাম যে, ১২ থেকে ১৫ বছরের যে সকল মুসল্লি ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৩ শে মার্চ পর্যন্ত এই ৪০দিন ৫(পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে এসে জামায়াতের সহিত আদায় করবেন তাদেরকে বিশেষ পুরষ্কার দেয়া হবে।
ঘোষণা অনুযায়ী ১২-১৫ বছর বয়সী মোট ৪৮ জন মুসল্লি মসজিদে এসে জামায়াতের সহিত নামাজ আদায় করতে শুরু করেন। তাদের মধ্যে মোট ৪(চার) জন মুসল্লি ৪০দিন পর্যন্ত ৫(পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে সমর্থ হন এবং ৩(তিন) জন মুসল্লির ১(এক) ওয়াক্ত করে নামাজ মসজিদে এসে জামায়াতের সহিত আদায় করতে পারেন নি। তাই ঘোষণা মোতাবেক প্রথম ৪(চার)জন যথাক্রমে মোঃ তাশরিফ আহমেদ (নাফিজ), মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ সাজেদ হোসেন ও মোঃ অনিক হোসেন এদের প্রত্যেককে বাই-সাইকেল এবং দ্বিতীয় ৩(তিন) জন যথাক্রমে মোঃ হ্রদয়, মোঃ নাজমুল হাসান এবং মোঃ জাহেদ হোসেন প্রত্যেকে নামাজী, স্কুল ব্যাগ,মগ ও ক্রেস্ট উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
এছাড়া অংশ গ্রহণকারী প্রত্যেককে পায়জামা ও পাঞ্জাবি উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন মসজিদের সাবেক ও বর্তমান খতিব। তাদের প্রত্যেককে স্বারক পুরস্কার  প্রদান করা হয়।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কি হবে আর ছবি তুলে!

শাহরাস্তিতে জমায়াতে সালাত আদায় কারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মার্চ ২০২২
নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সোনাপুর গ্রামের ঐতিহাসিক জামে মসজিদে ৪০দিন জামায়াতের সহিত সালাত আদায় কারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। ১১ মার্চ শুক্রবার বেলা ৩ ঘটিকায় সোনাপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল হোসেন পাটওয়ারী (লাভলু)।
উক্ত অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মোয়াজ্জেন  হাফেজ মোঃ: ইলিয়াস ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সাবেক ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শহিদুল্লাহ পাটওয়ারী, সোনাপুর জামে মসজিদের সাবেক খতিব হাফেজ রবিউল ইসলাম,সাবেক খতিব মাওলানা জাকির হোসেন, শাহরাস্তি পৌরসভার ৪ ওয়ার্ড়ের কমিশনার ও প্যানেল মেয়র মোঃ সাহাব উদ্দিন আলম, স্থানীয় কাজির কাপ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মোঃ রুহুল আমিন, সোনাপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম জনাব ইমাম হোসেন এবং মসজিদের মোতাওয়াল্লী জনাব মোঃ শাহজাহান।
ঐতিহাসিক সোনাপুর জামে মসজিদের সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, জামায়াতে নামাজ পড়াকে উৎসাহিত করতে আমরা বিগত ১৪ জানুয়ারি শুক্রবার ঘোষণা করেছিলাম যে, ১২ থেকে ১৫ বছরের যে সকল মুসল্লি ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৩ শে মার্চ পর্যন্ত এই ৪০দিন ৫(পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে এসে জামায়াতের সহিত আদায় করবেন তাদেরকে বিশেষ পুরষ্কার দেয়া হবে।
ঘোষণা অনুযায়ী ১২-১৫ বছর বয়সী মোট ৪৮ জন মুসল্লি মসজিদে এসে জামায়াতের সহিত নামাজ আদায় করতে শুরু করেন। তাদের মধ্যে মোট ৪(চার) জন মুসল্লি ৪০দিন পর্যন্ত ৫(পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে সমর্থ হন এবং ৩(তিন) জন মুসল্লির ১(এক) ওয়াক্ত করে নামাজ মসজিদে এসে জামায়াতের সহিত আদায় করতে পারেন নি। তাই ঘোষণা মোতাবেক প্রথম ৪(চার)জন যথাক্রমে মোঃ তাশরিফ আহমেদ (নাফিজ), মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ সাজেদ হোসেন ও মোঃ অনিক হোসেন এদের প্রত্যেককে বাই-সাইকেল এবং দ্বিতীয় ৩(তিন) জন যথাক্রমে মোঃ হ্রদয়, মোঃ নাজমুল হাসান এবং মোঃ জাহেদ হোসেন প্রত্যেকে নামাজী, স্কুল ব্যাগ,মগ ও ক্রেস্ট উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
এছাড়া অংশ গ্রহণকারী প্রত্যেককে পায়জামা ও পাঞ্জাবি উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন মসজিদের সাবেক ও বর্তমান খতিব। তাদের প্রত্যেককে স্বারক পুরস্কার  প্রদান করা হয়।