শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে গৃহশিক্ষকের হাতেই খুন হয় শিশু সোহান : লক্ষ্য ছিলো মুক্তিপন আদায়

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ মে, ২০২৩, ৫:১৯ পিএম
চাঁদপুরে গৃহশিক্ষকের হাতেই খুন হয় শিশু সোহান : লক্ষ্য ছিলো মুক্তিপন আদায়

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে শিশু আদিল মোহাম্মদ সোহানের চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যা মামলার কিশোর অপারাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই মামলার ঘটনায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার সংক্রান্তে প্রেস ব্রিফিং করেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বিপিএম-বার। আটককৃত কিশোর ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুদ্রগাঁও তালুকদার বাড়ির শরীফ তালুকদারের ছেলে মো. আবদুল আহাদ (১৭)। সে শিশু আদিল মোহাম্মদ সোহানের গৃহ শিক্ষক ছিলেন।

পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ জানান, গত ১৫ মে সন্ধ্যাড আদিল মোহাম্মদ সোহান (০৮) বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। পরে তার পিতা আনোয়ার হোসেন ফরিদগঞ্জ থানায়  একটি নিখোঁজ জিডি করে। পুলিশ তদন্তকালীন সময় গত ১৯ মে সকালে মাটির নিচে চাপা দেওয়া একটি শিশুর হাত দেখতে পায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ নিখোঁজ শিশু আদিল মোহাম্মদ সোহনের বাবা-মা মৃতদেহটি তাদের সন্তানের বলে শনাক্ত করে।

পুলিশ সুপার জানায়, কিশোর আহাদের টাকার প্রয়োজন ছিল। তখন সে ভারতের সিআইডি থেকে মুক্তিপনের টাকা জন্য সোহানকে অজ্ঞান করে লুকিয়ে রাখে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত শিশু সোহান সেখানে মারা যায়। এরপর সোহানের লাশ কোদাল দিয়ে মাটি খুরে মাটিতে পুঁতে রাখে তারই গৃহ শিক্ষক আহাদ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) পলাশ কুমার নাথ, ডিআইও- ১, মনিরুল ইসলাম, ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল মান্নানসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

Model Hospital

১৫১ ধারায় আরও ১ জন

হাজীগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৭ পিএম
হাজীগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

হাজীগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের বিভিন্ন টিম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মান্নান ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব শর্মার নির্দেশনায় এসআই নুরে আলম, এসআই মো. নাজমুল আলম ও এসআই মো. জহির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন—হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের ফুলছোয়া এলাকার মো. হাসেম (৩৮), মকিমাবাদ এলাকার মো. হারুন (২৮), চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের লোদেরগাঁও এলাকার শাহ আলম (৫২), হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার মকিমাবাদ এলাকার সোহাগ আহমেদ (৪২) এবং হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাউরা এলাকার পলাশ (২৩)। এছাড়া নাটেহরা এলাকার শাওন (২২) নামে আরও একজনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।

Model Hospital

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার প্রথম পাঁচজনের কাছ থেকে ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে হাজীগঞ্জ থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১০(ক)/১৯(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার শাওনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ছয়জনকেই শনিবার (৩ অক্টোবর) যথাসময়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।