বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ৬৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান হলেন মনির

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪, ১১:১৩ পিএম
ফরিদগঞ্জে ৬৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান হলেন মনির
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৬.৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আকবর হোসেন মনির (তালা)। নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয় লাভ করেন।
নির্বাচনের মাত্র একমাস আগে মাঠে নেমে চমকপদ এই ফলাফলে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মনির। তবে জয়ী হওয়ার পর এক প্রতিক্রীয়ায় তিনি এ বিজয়কে ফরিদগঞ্জের মানুষকে উৎসর্গ করেছেন।
জানা যায়, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে (৫ জুন) বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোট গণনা শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌলি মন্ডল।
নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩ প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৬৬.৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হযন তালা প্রতীকের প্রার্থী আকবর হোসেন মনির।
একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ১১৮টি কেন্দ্রে ৮২ হাজার ৯৩০ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তার মধ্যে আকবর হোসেন মনির ৫৫ হাজার ৪৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি চশমা প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান শাহিন পেয়েছেন ১৮ হাজার ৩৮৫ ভোট এবং অপর প্রার্থী বই প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান সবুজ পেয়েছেন ৯২০৭ ভোট।
ভোটাররা বলছেন, মাত্র এক মাসের নির্বাচনের মাঠে বিশাল জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন আকবর হোসেন মনির। এ জয়ে চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান গণজোয়ার সৃষ্টি করেছেন। পাশাপাশি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনিরের দলমতের উর্ধ্বে সকলের কাছে বিপুল গ্রহণযোগ্যতা থাকায় বিপুল ভোটে পাস করেছেন। উপজেলাবাসী এই প্রথম অবাধ-সুষ্ঠু নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেখেছে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের কোনো ধরনের বাধা বিঘ্ন চাড়া ভোট দিতে পেরে আনন্দিত হয়েছেন।
ফলাফল প্রকাশের পর আকবর হোসেন মনির বলেন, আমি ফরিদগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ। স্বল্প সময়ের মধ্যে মানুষে আমাকে এতো আপন করে নিবে আমি কল্পনাও করিনি। আমার অভিভাবক অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। যারা দিনরাত পরিশ্রম করেছেন এবং নির্বিঘ্নে ভোট দিয়েছেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাদের সুখে দুঃখে সর্বদাই পাশে থাকবো।

বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৮ এম
বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল : চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়-নীতি, সততা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।’

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক মাহফিলে এ মন্তব্য করেন তিনি। সঙ্গে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধ অনুসরণ করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে নৈতিকতার চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মাহফিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি,নৈতিকতা,ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন চরমোনাই পীর। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দেশ খেয়েছে খাজুরেরা, নাম পড়েছে হুজুরের।’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘ইসলামিক দল নাম দিয়ে,বেপর্দা নারীদের দিয়ে মিছিল-মিটিং করে—এরা কেমন ইসলামিক দল?’ তিনি দাবি করেন, যারা মুসলমান তারা মিথ্যা বলতে পারে না। তার বক্তব্যে ধর্মীয় আদর্শের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Model Hospital

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বক্তব্যে চরমোনাই পীর দেশের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজসহ বিভিন্ন সামাজিক অনাচার নিয়েও সমালোচনা করেছেন।