শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়লো ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩, ৯:১১ পিএম
ফরিদগঞ্জে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়লো ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাঁই হয়েগেছে। ২১ জুলাই শুক্রবার গভীররাতে উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের শোল্লা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানায় ২২ জুলাই শনিবার দুপুরে ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার রাত ১০ টা নাগাদ ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। ভোররাতে স্থানীয়দের ডাক চিৎকারে তাদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। পরে দোকানের কাছে এসে দেখেন তাদের দোকান গুলোতে আগুন ঝলছে। এ সময় জরুরীসেবা নং ৯৯৯ এ কল দিলে ফরিদগঞ্জ সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থল এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।

এ অগ্নিকান্ডে ৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো হলো শোল্লা এলাকার আব্দুর রশিদ বেপারীর ছেলে বেলায়েত হোসেন’র মুদিদোকান ও খাবারের হোটেল, একই এলাকার ইদ্রিস বেপারীর ছেলে দুলাল বেপারী’র ভ্যারাইটিজ স্টোর ও কালাম বেপারীর ছেলে জামাল হোসেন’র ফার্নিচারের দোকান।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মো.বেলায়েত হোসেন বলেন, অগ্নীকান্ডের খবর পেয়ে দোকানে গিয়ে দেখি আমার দোকানে আগুন ঝলছে, এসময় দোকানের তালা খোলা ছিল। আমি মনে করি কেউ আগুনের সংযোজ দিয়েছে। আমি অজ্ঞাতদের অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় বিচার প্রার্থনা করেছি।

ক্ষতিগ্রস্থ অপর ব্যবসায়ী দুলাল বেপারী ও জামাল হোসেন বলেন, তাদের দোকানে আগুন লাগার মতো কোন যন্ত্রাংশ ছিলনা। আমরা মনে করি কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। আমরা ন্যায় বিচার চাই।

Model Hospital

ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন জানান অগ্নীকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে কি কারনে আগুনের সূত্রপাত, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল মান্নান বলেন, অগ্নীকান্ডের ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানা ভুক্তভোগীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি সাধারণ ডায়েরী (নং ১৫১৫) করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।