শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে অসুস্থ স্বামীর ঔষধ আনতে যাওয়ার পথে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ: ইজিবাইক চালক গ্রেফতার

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০২৩, ৯:২১ পিএম
চাঁদপুরে অসুস্থ স্বামীর ঔষধ আনতে যাওয়ার পথে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ: ইজিবাইক চালক গ্রেফতার
অসুস্থ স্বামীর জন্য ঔষধ আনতে যাওয়ার সময় মুখে চাপা দিয়ে বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে ৪৫ বছরের এক গৃহবধুকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করায় অভিযুক্ত আবুল বাসার মিজি (৫০) কে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার (২৪ জুলাই) সকালে থানায় মামলা দায়েরের পর ধর্ষক আবুল বাশার কে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে রবিবার (২৩ জুলাই) রাতে চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মোঃ শাহজাহান তাকে বাগাদী ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শেখ মুহসীন আলম।
অভিযুক্ত আবুল বাশার মিজি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ঘাসিপুর গ্রামের আঃ হাকিম মিজির ছেলে। সে পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। গৃহবধু নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণের অপরাধে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৫৩, ২৪/৭/২০২৩। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন এসআই রহিমা বেগম।
গৃহবধূ মনোয়ারা বেগম অভিযোগে বলেন, আমার অসুস্থ্য স্বামীর জন্য গত ৪ তারিখ রাত ৯টার দিকে পাশের বাড়িতে যাওয়ার সময় আসামী আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আটক করেন। এ নিয়ে এলাকায় বৈঠক হলেও আসামী তার ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে উল্টো আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। কোন উপায় না পেয়ে থানা পুলিশের শরণপন্ন হলাম।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মোঃ শেখ মুহসীন আলম জানান, মামলা দায়েরের পর ধর্ষক আবুল বাশারকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।