শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে তরকারি গরম করতে গিয়ে বসতঘর পুড়ে ছাই

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩, ১১:১৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে তরকারি গরম করতে গিয়ে বসতঘর পুড়ে ছাই
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে তরকারি গরম করতে গিয়ে বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ ঘটিকার সময় পৌর এলাকার সাহফুর কম্পানি বাড়ির মজিবুর রহমান পাটওয়ারী বসতঘর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এতে মুহুর্তের মধ্যেই সম্পন্ন ঘর আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই একরামুল হক সোহাগ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, একই বাড়ির মাহফুজুর রহমান পাটওয়ারী তার বসত ঘর ভেঙে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন। তাই মজিবুর রহমানের ঘরে থাকতে দিয়েছেন।  দুর্ভাগ্য মুজিবুর রহমানের স্ত্রী সনিয়া রাতে তরকারি গরম করতে গিয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গিয়ে ঘরে আগুনে লেগে যায়।
মাহফুজুর রহমান জানান, আমার স্ত্রী তরকারি গরম করতে গিয়ে যখনই গ্যাসের চুলা চালু করতে যায়, তখনই ঘরে আগুন লেগে যায়। ধারণা করা যাচ্ছে গ্যাসের পাইপ লিকেজ ছিল।
একই বাড়ির মোঃ আলী আলম জানান, গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন থেকে মুহুর্তের মধ্যে সম্পূর্ণ ঘরে আগুন লাগে যাওয়ায় আমাদের প্রচেষ্টা ব্যার্থ হয়।
ঘরের মালিক মজিবুর রহমান বলেন, আমি পরিবার নিয়ে চাঁদপুরে থাকি। আমার চাচাতো ভাই মাহফুজুর রহমান নতুন ঘর করতেছে তাই তাকে আপাতত থাকতে দিয়েছি। মাহফুজের স্ত্রী সানিয়া বেগম তরকারি গরম করতে গিয়ে গ্যাসের লাইন লিকেজ থাকায় আগুন মুহূর্তর মধ্যেই সম্পূর্ণ ঘরে লেগে যায়।
এই অগ্নিকাণ্ডে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করা যাচ্ছে আমার প্রায় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ বিল্লাল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনে ১০ জনের দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।