শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর রেলপথে ট্রেনেকাটা পড়ে ১ ব্যক্তির মৃত্যু, ২দিনেও পরিচয় মেলেনি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০২৩, ১০:৪৮ পিএম
চাঁদপুর রেলপথে ট্রেনেকাটা পড়ে ১ ব্যক্তির মৃত্যু, ২দিনেও পরিচয় মেলেনি

চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের বাকিলা এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত (৩৫) নামক পুরুষ এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ্ বাহার জানান, চাঁদপুর জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই) বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে চেস্টা করে মরদেহের হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মরদেহ সনাক্ত হয়নি।

ঘটনাটি ঘটেছে,গতকাল রোববার(৩০জুলাই) দুপুর অনুমান সাড়ে ৩টায়,চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের বাকিলা রেলগেইনের পশ্চিমে। তার পরনে ছিল লুঙ্গি ও গেঞ্জী। তার শরীর ট্রেনে কাটা পড়ে দ্বিখন্ডিত হয়ে মাথা থেললে গিয়েছে বলে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ্ বাহার বিষয়টি জানিয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়,তাদের কাছে এ খবর আসে রোববার সন্ধ্যা ৭টায়। তার পর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ্ বাহারের নেতৃত্বে থানার উপপরিদর্শক আজিজুল হাকিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ১০টায় মরদেহটি উদ্বার করে রেলওয়ে থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ পুলিশ উদ্ধারের পর চাঁদপুর জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)কে বিষয়টি অবগত করে। তারা তাৎক্ষনিক মরদেহের হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাশ সনাক্ত করতে পারেনি।

এ পথের চাঁদপুর-চট্রগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী সাগরিকা এক্রপ্রেস ট্রেনটি চাঁদপুর থেকে চট্রগ্রাম যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটেছে,বলে প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান।
রেলওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর সুরুতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপতাল মর্গে পাঠিয়ে ময়না তদন্ত করেন। মরদেহের কোন সনাক্ত করতে না’পারায় পুলিশ মরদেহটি দাফনের জন্য আনজুমানে মফিদুল ইসলাম সংস্থার কাছে হস্তান্তর করেছে। তারা দাফনের ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

Model Hospital

এ বিষয়ে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ্ বাহার জানান,আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। পরক্ষনে চাঁদপুর জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)কে বিষয়টি অবগত করি। তারা তাৎক্ষনিক মরদেহের হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাশের সনাক্তের চেস্টা করে কোন সনাক্ত করতে পারেনি। এ বিষয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।