শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে প্রেমিকের সাথে কথা বলতে না দেয়ায় দশম শ্রেনীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৭:১৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে প্রেমিকের সাথে কথা বলতে না দেয়ায় দশম শ্রেনীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

ফরিদগঞ্জে প্রেমিকের সাথে মোবাইলে কথা বলতে না পেরে মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আখি আক্তার(১৭) আত্মহত্যা করেছে।

৪ আগস্ট শুক্রবার সকালে পৌর এলাকার পশ্চিম বড়ালী আজিম পাটওয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যা কারী আখি প্রবাসী আক্তার হোসেনের মেয়ে। আখি চরপাড়া মোহাম্মদিয়া তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেনির শিক্ষার্থী।

একই বাড়ির কাউন্সিলর জাহিদ হোসেন ও আখির স্বজনরা জানান, আখি বেশ কিছুদির ধরে একটি ছেলের সাথে মোবাইলে কথা বলে। পরিবারের লোকজন জানতে পেরে তাকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বারন করে। কিন্তু আখি তা না মেনে মোবাইল দিয়ে সকলের অগোচরে কথা বলে ওই ছেলের সাথে। শুক্রবার সকালে আখির ছোট ভাই সানী মোবাইল ফোনটি লুকিয়ে রাখে। আখি সানীর কাছে মোবাই চায়। সানী মোবাইল দিতে পারবেনা বললে তাদের মাঝে ঝড়গা হয়। একপর্যায়ে আখি অভিমান করে নিজের রুমে গিয়ে ধরজা বন্ধ করে দেয়। তাকে বারবার ডাকাকাকি করলেও তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে আখির চাচাতো ভাই আবু নাইম জানালা দিয়ে দেখতে পায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে। পরবর্তিতে তাদের চিৎকার শোনে বাড়ির লোকজন এসে রুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

মাদ্রাসার ছাত্রীর আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

Model Hospital

আখীর সৎ মা ফাতেমা বেগম বলেন, আখি সকালে সে ঘুমের থেকে উঠে নাস্তা করেছে, সে মোবাইল নিয়ে কোন ছেলের সাথে কথা বলে, তাই তাকে মোবাইল দেওয়া হইনি। এতে সে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অপিসার ইনচার্জ মো. আবদুল মান্নান বলেন, আত্মহত্যাকারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। তার পরিবারের দাবি আখি আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারন জানা যাবে। একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।