শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সংস্কার হয় না সড়ক, মানুষের দুর্ভোগ লাগবে যুবলীগ নেতা আজাদের নিজ অর্থায়নে মেরামত

সজীব খান প্রকাশিত: শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩, ৬:৩৬ পিএম
সংস্কার হয় না সড়ক, মানুষের দুর্ভোগ লাগবে যুবলীগ নেতা আজাদের নিজ অর্থায়নে মেরামত

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের ৫, ৬,৭ নং ওয়ার্ডের সড়কটি সংস্কার হয় না দীর্ঘদিন ধরে। ফলে মানুষের দুর্ভোগ লাগবে যুবলীগ নেতা আজাদের নিজ অর্থায়নে মেরামত করা হয়। সড়কটি দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী সহ কয়েক হাজার মানুষের চলা চল।

বিগত কয়েকদিন ধরে সড়কটি চলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। প্রতি নিয়ত রিকসা, সিএনজি, মোটরসাইকেল পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পথচারী হাঁটার উপযোগি ছিলো না। জনগনের কষ্টের কথা চিন্তা করে নিজ অর্থায়নে সড়কের মেরামত কাজ করেন মৈশাদী ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মোঃ আজাদ খান।

আজাদ খান বলেন, রাস্তাটি দিয়ে এই এলাকার কয়েক হাজার জনগন চলাচল করে। গতকাল সন্ধায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখে সাথে সাথে উদ্যোগ নিয়েছি রাস্তা মেরামতের জন্য। তাছাড়া আমি মানুষের সেবায় সব সময় কাজ করে যেতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

এলাকাবাসী জানান, আমরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হতো। এখন রাস্তা ঠিক করায় আমরা চলাচল করতে সুবিধা হবে।

Model Hospital

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এমরান হোসেন রাজন, ৬নং ওয়ার্ডের শরীফ মেম্বার, ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মিঠু খান, ফখরুল ইসলাম খান, রুবেল শেখ, দেলোয়ার সরদার, সাহাদাত প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সড়কটিতে বিগত কয়েক বছর ধরে মৈশাদী ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মোঃ আজাদ খান নিজ অর্থে মেরামত করে আসছেন।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।