শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের আড়তে সরবরাহ বাড়ছে ইলিশের

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩, ১০:৩১ পিএম
চাঁদপুরের আড়তে সরবরাহ বাড়ছে ইলিশের

চাঁদপুর জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি মৎস্য আড়ত বড়স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ বাড়ছে। বাংলাদেশের সীমানায় মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা ২৩ জুলাই শেষ হয়েছে। এরপর থেকেই ইলিশে সরগরম মাছঘাট।

যদিও চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশের তেমন দেখা মিলছে না। তবে সাগর মোহনায় কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে। সেই ইলিশ চাঁদপুর ঘাটে নিয়ে আসছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (৫ আগস্ট) সকালে মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। ভোলা, হাতিয়া, চরফ্যাশন, লক্ষ্মীপুর ও আশপাশের উপকূলীয় এলাকা থেকে ট্রলার ও ট্রাকে ইলিশ আসছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৯০ শতাংশ ইলিশই সাগর ও এর আশপাশের অঞ্চলের। বাকি ১০ শতাংশ পদ্মা-মেঘনার।

Model Hospital

এদিকে সরবরাহ বাড়ায় ইলিশের দাম কিছুটা কমছে। বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়, যা আগে ছিল ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আর ৫০০-৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায়।

বর্তমানে বাজারে সাগরের মোহনার ছোট ও মাঝারি ইলিশ বেশি আসছে। এছাড়া চাঁদপুরের স্থানীয় ইলিশের সাইজ একটু বড়।

চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটের ইলিশ ব্যবসায়ী বিপ্লব খান বলেন, ইলিশের দাম কমতে শুরু করেছে। তবে স্থানীয় ইলিশ কম থাকায় এখনো দাম কমছে না। আজ ৩ কেজি ওজনের একটি ইলিশ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। দুটি রাজা ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ বাড়লে দাম আরও কমবে। বাজার লোকে লোকারণ্য। কিন্তু সেই তুলনায় ইলিশ কম।

ক্রেতা এসএম আমির বলেন, ‘আমি ২৫ হাজার টাকার ইলিশ কিনেছি। দাম কম থাকলে আরও নেওয়া যেত। বেশ ভালো লাগছে চাঁদপুর থেকে ইলিশ কিনেছি। যদিও দাম তুলনামূলক বেশি। তবে বাইরের ইলিশের দাম আবার কম। এখানে প্যাকেটজাত খরচটা আরেকটু কমালে ক্রেতাদের সুবিধা হতো।’

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি শবে বরাত সরকার বলেন, এবার মৌসুমের অর্ধেক শেষ হলেও স্থানীয় ইলিশ একবারেই কম। তবে মাছঘাটে প্রথমদিকে ইলিশের তেমন দেখা না মিললেও এখন দক্ষিাণাঞ্চলের ইলিশ আসছে। ছোট ইলিশের তুলনায় বাজারে বড় ইলিশের দাম একটু বেশি। আমরা আশাবাদী সহসাই ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।