শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপুরে নকল জর্দার কারখানায় ডিবি : ৩ লক্ষ টাকা জরিমানাসহ ১ জনকে আটক

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩, ১০:২৪ পিএম
রামপুরে নকল জর্দার কারখানায় ডিবি : ৩ লক্ষ টাকা জরিমানাসহ ১ জনকে আটক
অবৈধভাবে নকল ও ভেজাল জর্দার কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেছেন চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার (৭ আগষ্ট) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সকদি পাঁচগাঁও গ্রামে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম এর দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর এস আই মাজহারুল হক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আব্দুল মজিদ মিজির বাড়ীর আজাদ মিয়ার ঘরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে বিভিন্ন কোম্পানীর স্টীকার ব্যবহার করে ভেজাল জর্দ্দা তৈরির কারখানা হতে ৪ বস্তা নকল হাকিমপুরী জর্দ্দা, ৪ বস্তা আজাদ হাকিম পাতা, ৪ বস্তা আকিজ জর্দ্দা, তামাকের গুড়া ৫ বস্তা, অটো প্যাকিং মেশিন ২টি, কোটা জরাই মেশিন ১টি, কোটা কাটিং মেশিন ৬টিসহ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
এসময় মজিদ মিজির ছেলে কারখানার মালিক আজাদ মিজির ভাই রিপন মিজি (৩৫) কে ভ্রাম্যমান আদালত ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালত উক্ত অবৈধ কারখানাটি সিলগালা করে দেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোঃ হেদায়েত উল্যাহ।
জানা যায়, সম্প্রতি নকল জর্দার কারখানার মালিক আজাদ চট্টগ্রামে তার একটি অবৈধ জর্দার কারখানা ছিল। সেখানকার ভ্রাম্যমাণ আদালত বিপুল পরিমাণ অবৈধ জর্দা জব্দসহ কারখানাটি সিলগালা করে দেয়। অবশেষে সে আজাদ তার গ্রামের বাড়ি রামপুর ইউনিয়নে অবৈধ জর্দার কারখানা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। আর নকল এই হাকিমপুরি জর্দা চাঁদপুরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে থাকেন আজাদ।
এ বিষয়ে চাঁদপুর পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, প্রতিনিয়ত নকল, ভেজাল মজুদদারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আল মামুন পাটওয়ারীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।