শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মোটর বাইকের ধাক্কায় বৃদ্ধা নি’হ’ত

রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪, ৬:৫২ পিএম
শাহরাস্তিতে মোটর বাইকের ধাক্কায় বৃদ্ধা নি’হ’ত
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বেপরোয়া গতিতে চলা মোটর বাইকের ধাক্কায় এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছে।
সোমবার (২৯ শে ডিসেম্বর) বিকেল ৪ টায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবনের সম্মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বৃদ্ধা শাহরাস্তি পৌর ১২নং ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও গ্রামের  মৃত আশরাফ আলীর সহধর্মিণী রহিমা বেগম (৮৫)।
রহিমা বেগমের পুত্র নাজমুল হক ঘটনার ব্যাপারে বলেন, ঘটনার ৩ ঘন্টা পর বিষয়টি জেনে হাসপাতালে ছুটে আসি এবং আমার মাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। তাৎক্ষণিক জানলে হয়তো মাকে কুমিল্লায় নিলে বাঁচাতে পারতেন বলে তিনি জানান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র আবাসিক চিকিৎসক ডা. মুশফিক বিন বাকের  জানান, রহিমা বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার মাথায় সেলাই দেয়া হয়েছিলো। তবে রোগীর অবস্থা আশংকাজনক থাকায় আমি কুমিল্লায় রেফার্ড করি। ওই সময় রোগির নিকটাত্মীয় না পাওয়ায় তাকে নেয়া হয় নি৷ পরবর্তীতে রোগীর স্বজনরা আসলেও দেরী হয়ে যাওয়ায় রোগী মৃত্যু হয়।
শাহরাস্তি থানার এস আই মোঃ ভুলু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মালরা গ্রামের শাহ আলমের পুত্র মোটরবাইকের আরোহী ওমর ফারুক (২৫) ও মালরা গ্রামের এমদাদ উল্লাহ’র পুত্র সুমন (২৩) দোয়াভাঙ্গা বাজারে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর সময় রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া রহিমা বেগমকে ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।  তাৎক্ষণিক তাকে কুমিল্লায় না নেওয়ায় কিছুক্ষণ পর কর্মরত ডাক্তার বৃদ্ধা মহিলাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে মোটসাইকেল চালক ও আরোহী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে গেলেও ঘটনাস্থলে কোন মোটরসাইকেল পাওয়া যায়নি। তবে এখনো ভুক্তভোগী পরিবারের কেউই অভিযোগ করতে আসেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।