শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় সংগঠন চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ এ্যাসোসিয়েশন : চবি উপাচার্য

চবি প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫, ৮:১৮ পিএম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় সংগঠন চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ এ্যাসোসিয়েশন : চবি উপাচার্য
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সক্রিয় সংগঠন চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ এ্যাসোসিয়েশন।
শুক্রবার (১৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ মিলনায়তনে সকাল ১১ টায় চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ এ্যাসোসিয়েশন – চবির নবীনবরণ ও প্রবীণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সংগঠনটির শিক্ষক উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক মো. ইকরাম আনসার তুহিন, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক কাজী মান্না ইয়াছমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা আ ন ম শামীম হাসান, কাজী আবদুস সোবহান, লায়ন মো. মনির হোসেন, মোহাম্মদ হাসনাতুজ্জামান, মো. মহিউদ্দিন মুন্সী।
এসময় ছাত্র উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরহাদ হোসেন জাহিদ, সংগঠনটির ৮ম কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিজি, ৯ম সভাপতি মো. হাবিবুল হাসান, ৯ম সাধারণ সম্পাদক নাদিম মাহমুদ হিমু, ১০ম সভাপতি মুহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম, ১২ তম সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ১২ তম সহ-সভাপতি মো. মেজবাহ উদ্দিন খান, মুহিব উল্যাহ।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, আমি যখন ভর্তি পরীক্ষার সময় কাটাপাহাড় দিয়ে যাই তখন দেখি চাঁদপুরের শিক্ষার্থীরা বুথ বসিয়ে, গেঞ্জি পড়ে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য কাজ করছে। তারা আগত পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সেবায় কাজ করে, নিজের বেডে থাকতে দেয়, তাদের সকল ধরনের সার্বিক সহযোগিতা করে।
এছাড়া তারা শিক্ষার্থীদের জন্য নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে। আমি তাদের কাজে অভিভূত।
চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিবছর খুব অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দিতে পারি। তার মধ্যে তোমরা জায়গা পেয়েছো এটা অত্যন্ত আনন্দ এবং গৌরবের। আমি এই ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে আছি, এখন এই ক্যাম্পাসকে আপন করে নিয়েছি তারমধ্যে সবচেয়ে আপন চাঁদপুরের মানুষজন। আমি সংগঠনটির সাথে আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সভাপতি মো. ইলিয়াস এবং সাধারণ সম্পাদক রেফায়েত উল্যাহ রুপক।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সদস্যদের বিদায়ী সংবর্ধনা এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের সদস্যদের বরণ করে নেওয়া হয়।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।