মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পারিবারিক সহিংসতায়

মতলব উত্তরে ৩ মাসে ৭ খুন

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:৫২ পিএম
মতলব উত্তরে ৩ মাসে ৭ খুন
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় গত ৩ মাসে ৭টি খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এগুলো পুলিশি তৎপরতার অভাবের চেয়েও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অভাব, পারিবারিক কলহ ও পারিবারিক শাসনের অভাবের কারনেই গ্রামীণ উপজেলায় এতো হত্যাকান্ড হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন উপজেলার বিভিন্ন শেণি পেশার মানুষ।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সুলতানাবাদ ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর গ্ৰামে ধানের চারা ফেলা নিয়ে তর্কের একপর্যায়ে মারধরের ঘটনায় কবির সরকার(৬০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছে। নিহত কবির সরকার ছোট লক্ষ্মীপুর গ্ৰামের মৃত হান্নান সরকারের ছেলে।
জানা যায়, বাড়ির পাশের ধানের চারা ফেলার জায়গা নিয়ে তর্ক হয় একই গ্ৰামের মৃত ছিদ্দিক প্রধানের ছেলে মানিক প্রধানের(৫৫) সাথে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আঘাত করাসহ কিল ঘুষি মারতে থাকে। মানিক প্রধানের সাথে একই গ্ৰামের মুকবিল হোসেন ও মানিক প্রধানের স্ত্রী শামসুন নাহার ছিল। কিল-ঘুষি ও আঘাতে কবির সরকার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
গত আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এই ৩ মাসে এই মতলব উত্তর উপজেলায় যে ৭টি হত্যাকান্ড ঘটেছে সেগুলো হলো-
গত ২৪ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাতে উপজেলার গাজীপুরে ভাত রান্না করতে দেরি হওয়ায় স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার আন্নাকে হত্যা করে স্থানীয় ধনাগোদা নদীতে মরদেহ ফেলে দেয় তার স্বামী ইয়াসিন। পরদিন শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা ধনাগোদা নদীর চরমাছুয়া এলাকায় নদীতে নারীর লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠায়। লাশের মুখে ও বুকে আগুনের পোড়া চিহ্ন ও গলাটিপে হত্যারও আলামত পাওয়া যায় বলে জানায় পুলিশ।
খোজ নিয়ে জানা যায়, এ হত্যা কান্ডটি মূলত পরকীয়ার বলি। এ বিষয়ে নিহত ফেরদৌসী আক্তার আন্নার বড় বোন মনোয়ারা বেগম জানায়, আমার ছোট বোনের স্বামী অন্য মেয়ের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বোন এ বিষয়ে জানতে পারলে এবং পরকীয়ায় বাধা দিলে তাকে প্রতিনিয়ত মারধর করত। কিছুদিন আগেও পরকিয়া করতে গিয়ে ধরা পড়ে জরিমানা দিয়েছে।
এর আগে ১৬ অক্টোবর (বুধবার) বেলা ১টার দিকে মতলব উত্তর উপজেলার উত্তর লুধুয়া গ্রামের প্রধানীয়া বাড়ির আ. সোবহান প্রধানের ছেলে সৌদি প্রবাসী নোমান (২৮) বাপের জায়গা- জমি নিজের নামে লিখে নিতে বাপ-ছেলের মাঝে বাক বিতন্ডা হয়। বাক বিতন্ডা এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ালে ছেলে নোমান বাবাকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করলে। বাবা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাবা আ. সোবহান প্রধানকে মতলব দক্ষিণ হাসপাতালে অনেক নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ছেলে পরে হাসপাতালের কাছে আসলেও মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর বাবার লাশ হাসপাতালে রেখেই ছেলে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে থানায় মামলা হলে পুলিশ এখনো কোন আসামীকে ধরতে পারেনি।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাতে মতলব উত্তর উপজেলার মিঠুরকান্দি গ্রামে বেপারী বাড়ীতে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে আপন ভাই সফিকুল ইসলামকে(৩০) পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের মিঠুর কান্দি গ্রামের কলিম উল্লাহ বেপারীর ছেলে মো. সফিকুল ইসলামের(২৮) সাথে তার ছোট ভাই-বোনদের সাথে পৈতৃক সম্পতিগত বিরোধ চলছিলো। বৃহস্পতিবার নিহত হওয়া ব্যাক্তি সফিকুল ইসলামের সাথে তার ভাই বোনদের তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে সফিককে বেধরক মারপিট করেন তার ছোট ভাই-বোন ও ভগ্নিপতি। এতে করে সফিক গুরুতর আহত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
২১ সেপ্টেম্বর (শনিবার) দুপুরে ছেলের হাতে মা খুন হওয়ার ঘটনা ঘটে। মা-ছেলের সাথে নিজ বাড়ির উঠানে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছেলে উত্তেজিত হয়ে মা’র মাথায় ইট দিয়ে সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মা মারা যায়।
ঘটনাটি ঘটে মতলব উত্তরের ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের দিঘলীপাড় গ্রামে।
নিহতের নাম শেফালী বেগম (৫৫)। সে দিঘলী পাড় গ্ৰামের মৃত মো. কালু প্রধানের স্ত্রী। শেফালী বেগমের বাপের বাড়ি একই ইউনিয়নের মান্দারতলী গ্রামে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় উপজেলার মান্দারতলীতে অটোরিকশা চালক খবির প্রধানের লাশ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের মান্দারতলী গ্রামের মতিন প্রধানের ছেলে খবির প্রধানের লাশ বিলের ধানক্ষেত থেকে উদ্ধারেরপর পরিবারটির দাবি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এমনকি এই হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে অভিযুক্তদের ১০-১২টি ঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
গত ২৭ আগস্ট (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের সরকার বাড়িতে সীমানা বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জহির (৪২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চারজন। নিহত জহির ওই গ্রামের মৃত জমির সরকারের ছেলে ।
নিহত মো. জহিরের ভাই সফিকুর রহমান জানান, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমাদের সঙ্গে পাশের বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে ইসমাইল হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম খলিফার ছেলে মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে বাড়ির সিমানা নিয়ে দ্বন্ধে তারা আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করলে আমার ভাই মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে।
এছাড়াও হত্যা, চাঁদাবাজিসহ ৩২ মামলার আসামী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরের আলোচিত কুখ্যাত নৌ ডাকাত বাবলা গত ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে এই উপজেলারই সীমানাঘেষা গজারিয়ার মল্লিকের চরে গুলিতে খুন হওয়ার বিষয়টিও খুবই আলোচিত। তার শরীরে ১৫টিরও অধিক গুলির চিহ্ন এবং মোটা একটি বুলেট তার মাথার একপাশ দিয়ে ঢুকে অন্যপাশ দিয়ে বেড়িয়ে যাওয়ার দৃশ্য খুবই মর্মান্তিক। যা প্রমান করে প্রতিপক্ষ এই নৌ ডাকাত বাবলার প্রতি কতোটা ক্ষুব্ধ ছিল।
২০২২ সালের ৬ মে উপজেলার ষাটনল পর্যটন এলাকায় আলোচিত উজ্জল মিজিকে(৪৫) গুলিকরে হত্যা, ২০২২ সালের ২ নভেম্বর রাতে ফতেপুর পশ্চিমের মান্দারতলীতে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সলিমউল্যাহ লাভলু হত্যা খুবই চাঞ্চল্যকর মামলা এবং খুবই আলোচিত মামলা।
এ বিষয়ে উপজেলার ছেংগারচর সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেনজির আহমেদ মুন্সি বলেন, একসময় গ্রাম্য শালীশি ব্যবস্থার উপর মানুষের খুব আস্থা ছিল। কিন্তু বর্তমানে অর্থনৈতিক সুবিধানেয়া সহ নানা কারণে শালিশি ব্যবস্থার উপর থেকে মানুষের আস্থা উঠে গেছে। তাইতো এত সমস্যা হচ্ছে।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রবিউল হক বলেন, এ হত্যাকান্ডগুলো যদিও পারিবারিক কারণে হয়েছে তবুও হত্যাকান্ডতো হত্যাকান্ডই। আমরা ইতিমধ্যেই তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এ বিষয়ে আমার বক্তব্য একদম স্পষ্ট, অপরাধী যেই হোক না কেন কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে ছেংগারচর পৌরসভার জোড়খালী গ্রামে জায়গা-জমির বিষয়কে কেন্দ্র করে একই পরিবারের ৭ জনকে হত্যা করে স্থানীয় ইউপি সদস্য সফি উল্লাহ ভূইয়া, ছেলে মানিক ভূইয়া, সালামত বেপারীসহ আরো কয়েকজন ভাড়াটিয়া খুনি।

শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক কেটে মিছিল, ফরিদগঞ্জে সাবেক চেয়ারম্যান-মেয়রসহ ৩৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক কেটে মিছিল, ফরিদগঞ্জে সাবেক চেয়ারম্যান-মেয়রসহ ৩৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে কেক কাটা, মিছিল ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সাবেক পৌর মেয়র এবং ৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে থানা পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত গভীর রাতে ফরিদগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক এসআই হেলাল খান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা বহু লোককে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ও স্থগিত ঘোষিত দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে-এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ৫ মিনিটে আসামিরা বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে সমবেত হয়ে কেক কেটে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করে এবং সরকারবিরোধী মিছিল ও স্লোগান দেয়।

খবর পেয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশি এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দেশবিরোধী প্রচারণা, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার লক্ষ্যে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের পরিকল্পনা করছিল। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়।

Model Hospital

মামলায় আসামিরা হলেন, ২নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং চাঁদপুর জেলা কৃষকলিগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হারুনুর রশিদ (৪৮), ছাত্রলীগের কর্মী জাহিদ আহমেদ (২৫), মুন্না খান (২৩), সাব্বির (২২), মিনহাজ (২১), তুহিন (২৪), ওয়াসিব (২৩), সৈকত (২২), শামীম (২৪), রাসেল মিজি (২৮), আওয়ামী লীগ নেতা জিএম হাসান তাবাস্সুম (৪৫), উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী আল আমিন (২১), সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুল হক (৪৫), উপজেলা যুবলীগের সদস্য পুতুল সরকার (৪২), গোবিন্দপুর (উত্তর) ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জাকির হোসেন মেম্বার (৪৫), গোবিন্দপুর (উত্তর) ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সোহেল চৌধুরী (৩৫), ১১ নং চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
মাহমুদুল হাসান মিরাজ (৩৭), রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা সে্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম কাউছার উল আলম কামরুল (৪৫), পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হোসেন আহাম্মদ রাজন (৪০), উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ মশিউর রহমান মিঠু (৫২), গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন ভুইয়া (৩৬), ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আলমগীর হোসেন রিপন (৪২), ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাত্তার ছৈয়াল (৫৫), রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ ২ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান মেম্বার(৩৮), গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুমন খাঁন (২৮),গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ছাত্রলীগ‌ নেতা মোঃ শাকিল ভূইয়া (২৫), ইয়াছিন খাঁন (২৫), মোঃ মাসুদ রাঢ়ী (৩০), পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান সাউদ (৪৫), উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম পাটওয়ারী (৩০), যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর ওরফে কামরুল সরকার (৩৫), উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের‌ সাবেক সভাপতি খাজে আহমেদ মজমুদার (৪৮), ছাত্রলীগ নেতা মাহবুব শেখ (৩২) এর বিরুদ্ধে এজহার নামিয় আসামি করে আরো অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ জানান, অবৈধভাবে জনসমাবেশ করে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটানোর চক্রান্তের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ১ নম্বর আসামি বালিথুবা পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।