শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন

মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মোঃ আরিফ উল্যাহ সরকারের বিজয়

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩, ৮:৫৬ পিএম
মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মোঃ আরিফ উল্যাহ সরকারের বিজয়
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হল।
১৭ জুলাই সোমবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে। তবে কিছু কিছু কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি থাকায় ৫ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
মেয়র পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ আরিফ উল্লাহ সরকার (নৌকা), প্রাপ্ত ভোট ১৩ হাজার ৬, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোঃ সেলিম হোসেন (লাঙ্গল) প্রাপ্ত ভোট ৪৩৬, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ নুরুল হক সরকার (নারিকেল গাছ) ৬ হাজার ৩৪৭ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আঃ ওয়াদুদ মাস্টার (মোবাইল) প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৬৬৯।
৬ হাজার ৬৬৭ ভোটের ব্যবধানে ১৩ হাজার ৬ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকে মোঃ আরিফ উল্লাহ সরকার বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল হক সরকার নারিকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৪৭ ভোট। সোমবার সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফলাফল ঘোষণা করেন।
এদিকে সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের উপস্থিতি ছিল খুবই বেশি। তবে পুরুষ থেকে নারী ভোটার ছিল বেশি। ৮ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় বেশ উৎসাহিত ছিল পৌরবাসী। প্রখর রোদেও লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভোট দিতে পেরেছেন তারা। ভোটারদের অভিযোগ, খুবই ধীর গতিতে ভোট গ্রহণ হওয়ায় অনেক কস্ট করতে হয়েছে ভোটারদের।
তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, ছেংগারচর পৌরসভায় এই প্রথম ইভিএমে ভোট হওয়ায় ভোটাররা ভোটিং সিস্টেমটা বুঝতে সময় নিয়েছে। তাই ভোট গ্রহণে ধীর গতি ছেল। তবে সব কেন্দ্রেই উপস্থিত সকল ভোটার ভোট দিতে পেরেছেন।
জানা গেছে, ৯ টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫০ জন প্রার্থী এবং ৩ টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন সবুজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডে মোঃ হারিছ খান, ৩নং ওয়ার্ডে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ৪নং ওয়ার্ডে শাহজালাল মুফতী, ৫নং ওয়ার্ডে আঃ মান্নান বেপারী, ৬নং ওয়ার্ডে আমান উল্লাহ, ৭নং ওয়ার্ডে আনোয়ার হোসেন, ৮নং ওয়ার্ডে শাহজাহান মোল্লা ও ৯নং ওয়ার্ডে বোরহান উদ্দিন।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১.২.৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন সালমা পাটোয়ারী (চশমা), ৪.৫.৬নং ওয়ার্ডে আকলিমা (আনারস) ও ৭.৮.৯নং ওয়ার্ডে নুরুন্নাহার (আনারস) নির্বাচিত হয়েছেন।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।