শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮৭.২৬ ভাগ, জিপিএ-৫ ২২৭

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩, ১০:৩৮ এম
শাহরাস্তিতে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮৭.২৬ ভাগ, জিপিএ-৫ ২২৭
শাহরাস্তি উপজেলায় এবারের এসএসসি – ২০২৩ সালের  পরীক্ষায়  ৫টি কেন্দ্রে ৩৩টি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৯ শ ৩৬ জন শিক্ষার্থী  পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। যার মধ্যে ২ হাজার ৫ শ ৬২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়।এতে অকৃতকার্য হয় ৩ শ ৭৪ জন,যার  পাসের হার ৮৭.২৬ ভাগ। এতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২শ’২৭ জন। এদিকে ৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভাগ্য জিপিএ -৫ জুটেনি।
***উপজেলায় সেরা ফলাফল করে যে সকল  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারা হলো: শাহরাস্তি  সরকারি  বহুমুখী উচ্চ উবি’তে ১৩৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সবাই  পাস করে, জিপিএ -৫ পায় ৩৩ জন,পাসের হার ১০০ভাগ। এরপর  খিলাবাজার স্কুল এন্ড কলেজে ১২৭ জনে ১২৬ শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ০৭ জন,পাসের হার ৯৯.২১ ভাগ। টামটা আর্দশ উবিতে ১১৬ জনে ১১৫  শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ১৮ জন,পাসের হার ৯৯.১৪ ভাগ। বিজয়পুর  উবির ৮৭ জনে ৮৬  শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ০২ জন,পাসের হার ৯৮.৮৯ ভাগ। উনকিলা উবির ৮৫ জনে ৮৪  শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ১০ জন,পাসের হার ৯৮.৮২ ভাগ। জনতা উবির ৮৪ জনে ৮৩  শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ০১ জন,পাসের হার ৯৮.৮১ ভাগ।
উয়ারুক রহমানিয়া  উবি ১৮৫ জনে ১৮২ শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ৪০ জন,পাসের হার ৯৮.৩৮ ভাগ। নিজমেহের মডেল পাইলট উবির১২৮জনে ১২৫ শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ -৫ পায় ৩৬ জন,পাসের হার ৯৭.৬৬ ভাগ। নোয়াগাঁও  উবির ৪৪ জনে ৪৩ জন শিক্ষার্থী পাস করে, পাসের হার ৯৭.৭৩ ভাগ।
***উপজেলায়  যে সকল বিদ্যালয় সন্তোষ  জনক ফলাফল করে তারা হলো : বাদিয়া এম হক উবি’র ৪৫ জনে ৪০ শিক্ষার্থী পাস করে, জিপিএ-৫ পায় ১জন, পাসের হার ৮৮.৮৯ ভাগ। বানিয়াচৌঁ জেবি উবি’র ১০২ জনে ৮৭জন, পাসের হার জিপিএ- ৫ পায়০১ জন,পাসের হার  ৮৫.২৯ভাগ, বলশীদ হাজী আকুব আলী উবি’র ৭২ জনে ৬৯ জন, জিপিএ-৫ পায় ০৯ জন, পাসের হার ৯৫.৮৯ ভাগ, ধামরা আদর্শ উবির ৪১ জনে ৩৫  জন, পাসের হার ৮৫.৩৭ ভাগ। দেবকরা মারগুবা ডঃ মোঃ শহিদুল্লাহ  উবি’র ৬৩ জনে ৬১ জন,  জিপিএ-৫ পায় ৪ জন , পাসের হার ৯৬.৮৩ ভাগ। ফটিকখিরা বালিকা উবির ৩৩ জনে ৩২ জন, জিপিএ-৫ পায় ৫ জন, পাসের হার ৯৬ ভাগ।  মেহের উবির ১১৬ জনে ১১১ জন, জিপিএ-৫ পায় ৫ জন, পাসের হার ৯৫.৬৯ ভাগ। চিতোষী আর এন্ড এম উবির ১৩২ জনে ১০৯ জন, জিপিএ-৫ পায় ৪ জন, পাসের হার ৮২.৮৫ ভাগ। পঞ্চগ্রাম আজিজুর রহমান উবির ৯৮ জনে ৯২  জন, জিপিএ-৫ পায়১৩ জন, পাসের হার ৯৩.৮৮ ভাগ ।
সূয়াপাড়া জিকে উবির ১৪৪ জনে ১৩৯ জন, জিপিএ-৫ পায় ০৭জন, পাসের হার ৯৬.৫৩ ভাগ।  ইছাপুরা আদর্শ উবির ৮৪ জনে ৮০জন, জিপিএ-৫ পায় ০৫ জন, পাসের হার ৯৫.২৪ ভাগ।  শাহরাস্তি মডেল উবির ২৬জনে ২৫জন, জিপিএ-৫ পায় ০১জন, পাসের হার ৯৬.১৫ভাগ, মৌলভী আকরাম আলী উবি’র ২১ জনে ১৭ জন,পাসের হার ৮০.৯৫।
‌**যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতার  দৌড়ে  ফলাফলে পিছিয়ে থাকে তারা হলো ,চেড়িয়ারা উবি ও কলেজ  ১০৬ জনে ৬৫ শিক্ষার্থী পাস করে,  জিপিএ-৫ পায় ৩ জন, পাসের হার ৬১.২৩ ভাগ,বেরনাইয়া উবির ৬৫ জনে ৪০ শিক্ষার্থী পাস করে,  পাসের হার ৬১.৫৪ ভাগ, চিতোষী মনিরা আজিম একাডেমীর ২৭ জনে ১৮ জন, পাসের হার ৬৬.৬৭  ভাগ,পঞ্চনগর উবির ৮৯ জনে ৬০ শিক্ষার্থী পাস করে ,জিপিএ-৫ পায় ২ জন পাসের হার ৬৭.০০ ভাগ, খেড়িহর আদর্শ উবির ৯২ জনে ৬২ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পায় ২ জন, পাসের হার ৬৭.৩৯ভাগ।উঘারিয়া ইউসি উবির ৭৪ জনে ৫১ শিক্ষার্থী পাস করে ,পাসের হার ৬৮.৯২ ভাগ।সূচীপাড়া উবির ১৭৪ জনে ১২২ শিক্ষার্থী পাস করে, জিপিএ-৫ পায় ০৫ জন, পাসের হার ৭০.১১ ভাগ।রাগৈ উবির  ১৪১জনে ১০৯ শিক্ষার্থী পাস করে, জিপিএ-৫ পায় ৮ জন, পাসের হার ৭৭.৩ ভাগ। দক্ষিণ সূচীপাড়া উবির ১১৩ জনে ৮৮শিক্ষার্থী পাস করে, জিপিএ-৫ পায় ২জন, পাসের হার ৭৭.৮৮ ভাগ। ফরিদ উদ্দিন উবি’র ৬৯ জনে ৫৫ শিক্ষার্থী পাস করে জিপিএ-৫ পায় ৩ জন, পাসের হার ৭৯.৭১ ভাগ।
………………………………………………
শাহরাস্তিতে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায়  পাসের হার ৯৫.০৬  ভাগ, জিপিএ-৫ পায় ০৭ জন  
……………………………………………..
এবার শাহরাস্তিতে ২০২৩ সালের এসএসসি ভোকেশনাল  পরীক্ষায়  ১টি কেন্দ্রে ২ টি বিদ্যালয়ের ৮১ জন শিক্ষার্থী  পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। যার মধ্যে  ৭৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়।এতে অকৃতকার্য ০৪ জন, পাসের হার ৯৫.০৬ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৭ জন। নিজমেহার মডেল পাইলট উ: বি: ৪৬  জনে ৪৪  শিক্ষার্থী পাস করে, জিপিএ-৫ পায় ০৪ জন, পাসের হার ৯৫.৬৫ ভাগ। উয়ারুক রহমানিয়া উবির ৩৫ জনে ৩৩ শিক্ষার্থী পাস করে, জিপিএ-৫ পায়০৩  জন, পাসের হার ৯৪.২৯ ভাগ। এই ফলাফল প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী রুহুল আমিন জানান, ফলাফলে  সন্তোষ জনক।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।