শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পালিয়ে বেড়াচ্ছে ফরিদগঞ্জের ইমাম হোসেন মাঝি

প্রতারনার মাধ্যমে প্রবাসীর ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উদাও !

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩, ৯:৪২ পিএম
প্রতারনার মাধ্যমে প্রবাসীর ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উদাও !
প্রথমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক করে। পরে প্রতারনার মাধ্যমে বিশ্বাস ভংগ করে অভিনব কায়দায় দুবাই প্রবাসী শরিফ হোসেনের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে আছে ফরিদগঞ্জের রামপুর এলাকার চতুর ইমাম হোসেন মাঝি নামে এক ব্যক্তি।
এ নিয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় ইমাম হোসেনর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর থানায় একবার বৈঠক হলেও দ্বিতীয় বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে গোপনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় ইমাম হোসেন মাঝি।
 সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমতুরা গ্রামের শরিফ হোসেন ও একই উপজেলার রামপুর এলাকার মোস্তফা মাঝির ছেলে ইমাম হোসেন দুবাইতে থাকতেন। দুবাইতে শরিফ হোসেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবাসায়ী ছিলেন। এই সুবাদে চতুর ইমাম হোসেন তার স্বার্থে শরিফের সাথে প্রথমে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। এ পর্যায়ে ব্যবসার কথা বলে ইমাম হোসেন সুকৌশলে শরিফ হোসেনের কাছ থেকে টাকা হাওলাত দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে নগদে ও ব্যংকের বিভিন্ন একাইন্টের মাধামে ইমাম হোসেনর স্ত্রী মরিয়মের কূ পরামর্শে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গোপনে দুবাই থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। দুবাইতে ইমাম হোসেনকে খুজে না পেয়ে শরিফ হোসেনের টাকা উদ্ধার করতে তার স্ত্রী আলিসা আক্তার নিজে বাদী হয়ে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে গত কোরবানী ঈদের কয়েকদিন পূর্বে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
এই অভিযোগ পেয়ে থানার ওসি আবদুল মান্নানের নির্দেশে এ এস আই আমজাদ হোসেন অভিযোগের তদন্তে ইমাম হোসেনর বাড়িতে যায়। এক পর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইমাম হোসেন মাঝি গা ঢাকা দেয়। পরে কৌশলে ইমাম হোসেন মাঝিকে থানায় আনার পর দুই পক্ষের মধ্যে বৈঠক হলেও ঈদের পর ১০ জুলাই বিকেলে আবার থানায় বৈঠক বসার কথা থাকলেও ইমাম হোসেন এবারো কাউকে না জানিয়ে থানার ওসি সহ সবাইকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে গোপনে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। শুধু তাই নয়, থানায় বৈঠক বসার আগেও ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন ভুইয়া ও স্থানাীয় বিএনপি নেতা নেছার আহাম্মেদ ভুইয়ার উপস্থিতে এলাকায় শালিসী বৈঠক হলেও তা মীমাাংসা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুল মান্নান গতকাল ২৫ জুলাই মঙ্গলবার বলেন, শরীফ হোসেনর কাছ থেকে প্রতারনা ও বিশ্বাস ভংগ করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ব্যাপারে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন থানার ওসি।
এদিকে একাধিক বৈঠকে কোন সুরাহা না করতে পেরে শরিফ হোসেনের স্ত্রী আলিসা আক্তার তার স্বামী শরীফ হোসেনের কষ্টার্জিত প্রায় ২০ লাখ টাকা উদ্ধার করতে ইমাম হোসেন ও তার স্ত্রী মরিয়মকে আসামী করে প্রতারনা ও বিশ্বাস ভংগের অভিযোগে একটি মামলা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।