শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী তুলা তলির তুলা গাছ কেটে নিল পৌর কর্তৃপক্ষ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩, ১:৫৬ পিএম
ফরিদগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী তুলা তলির তুলা গাছ কেটে নিল পৌর কর্তৃপক্ষ
ফরিদগঞ্জ বাজারে প্রবেশের পথে লিংক সড়ক পার হতেই তুলাতলি নামক নামকরণ যেই জন্য হয়েছে সেই শত বর্ষি তুলা গাছ কেটে নিল ফরিদগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষ। গাছ কর্তনকে ঘিরে জনমনে নানান প্রশ্ন।

২৯ জুলাই শনিবার বিকেলে ফরিদগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষ দাড়িয়ে থেকে এই শতবর্ষী তুলা গাছটি কর্তন করতে দেখা যায়। বাজারে আসা-যাওয়ার পথে পথচারীরা নানা রকম আলোচনা করতে শুনা যায় গাছ কাটা নিয়ে।
পৌরসভার ক্যাশিয়ার গিয়াস উদ্দিন দাঁড়িয়ে থেকে এই ঐতিহ্যবাহী তুলা গাছটি কাটতে দেখা যায়।
কি কারণে এই ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক তুলা গাছটি কর্তন করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি জানান, রাস্তা প্রসস্থ ও ড্রেনেজ নির্মাণ করতেই গাছটি কর্তন করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, পৌর কর্তৃপক্ষ উপজেলা বনবিভাগের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গাছটি কর্তন করছে।
স্থানীয়রা জানান, এই গাছটিকে কেন্দ্র করেই তুলা তলি জামে মসজিদ এর নাম করন করা হয়েছে। গাছটি কর্তন করা খুবই দুঃখজনক।
এ বিষয়ে তুলা তলি জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান জানান, আমাদেরকে অবগত না করেই এই ঐতিহ্যবাহী এবং অনেক স্মৃতি বিজড়িত গাছটি কর্তন করা হয়েছে, তবে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ জানান, আমি তুলা গাছ কাটার বিষয়ে অবগত নই এবং পৌরসভাকে গাছ কর্তন করার জন্য কোন ধরনের অনুমতি দেইনি।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।