শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতা না পেয়ে স্থানীয়দের উদ্যোগেই চাঁদপুরে সংস্কার হলো সড়ক ও কালভার্ট

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০২৩, ১০:১৬ পিএম
জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতা না পেয়ে স্থানীয়দের উদ্যোগেই চাঁদপুরে সংস্কার হলো সড়ক ও কালভার্ট
মাসুদ হোসেন : গত ২০১৯ সালের শেষের দিকে নির্মাণ হয়েছে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ-বটতলী এলজিইডি সড়ক। কিন্তু নির্মাণের এক বছরের মাথায় বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গেছে নির্মাণকৃত এই সড়কটি। এ নিয়ে ২০২০ সালের ১৬ নভেম্বর চাঁদপুরের স্থানীয় দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ভাঙ্গন কবলিত স্থান সংস্কার করেন। সংস্কারের কয়েক মাস সড়কটি ঠিক থাকলেও পরবর্তীতে মিজি বাড়ির ব্রিজ থেকে দক্ষিণ পাশে বেশ কয়েকটি স্থানে আবারো সড়কটি দেভে যায়।
দুই বছর এসব ভাঙ্গনকৃত স্থান দিয়ে ঘটেছে অসংখ্য ছোট বড় দুর্ঘটনা। মারাত্মক আহত হয়েছেন যানবাহন চালকসহ যাত্রীরা। এই বাস্তবতা বিবেচনাতে নিয়ে চলাচলের দুর্ভোগ কমাতে অবশেষে এলাকার লোকজন নামলেন রাস্তা সংস্কারে। সম্মিলিত উদ্যোগে রাস্তাটিকে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। সোমরার (৩১ জুলাই) পল্লী বিদ্যুৎ-বটতলী রেললাইন পর্যন্ত এই সড়কের মিজিবাড়ি ব্রিজ ও আবুল খায়েরের দোকান সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানটিতে সংস্কারকাজ করা হয়েছে। এর আগেও গত কয়েকমাস আগে পাটওয়ারী ও মিজি বাড়ির ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটি নিজেদের উদ্যোগে সংস্কার করেন প্রভাষক তাজুল ইসলাম হাওলাদার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিজান চৌধুরীসহ স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পল্লী বিদ্যুৎ- বটতলী সড়ক দিয়ে এলাকার অনেক সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা প্রতিদিন চাঁদপুর জেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে আসা-যাওয়া করেন। এ ছাড়া এই সড়ক দিয়ে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরাও আসা যাওয়া করছেন। রাস্তাটির উন্নয়নের জন্য স্থানীয় মানুষ নানাভাবে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো ফায়দা হয়নি। শেষমেশ নিজেরাই রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন। আর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রীসহ যানচালক ও এলাকাবাসী।
বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক তাজুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, সমস্যাটি নিয়ে এলাকার বেশ কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেক লেখালেখি করেন। এছাড়াও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি অবগত করেও কোন সুফল না মেলায় অবশেষে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আমরা নিজেরাই সংস্কারের উদ্যোগ নেই। এতে যদি দুর্ভোগ কিছুটা কমে আসে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।