শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেংগারচর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র-কাউন্সিলরদের শপথ ১০ আগস্ট

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৩, ৯:২০ পিএম
ছেংগারচর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র-কাউন্সিলরদের শপথ ১০ আগস্ট

আগামী ১০ আগস্ট শপথ নিবেন ছেংগারচর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র-কাউন্সিলররা। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পাঠ করাবেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম। শপথ গ্রহণের ছেংগারচর পৌরসভাকে সাজাতে নবউদ্যোমে কাজ করবেন মেয়র-কাউন্সিলরেরা।

এ নিয়ে উৎসবে আমেজ বিরাজ করছে তাদের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে। এর আগে গত ২৬ জুলাই নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশনার। গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলরদের সরকারিভাবে বিজয় ঘোষণা করা হয়।

শপথ গ্রহণের তারিখের পূর্বে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ২৮(১) ও ২৮(২)র ধারা অনুসরণে যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন করে নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে নবনির্বাচিত মেয়র, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলরগণের উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এর উপ-পরিচালক শাহিনা সুলতানা।

ছেংগারচর পৌরসভার নবনির্বাচিতরা হলেন, মেয়র আরিফ উল্যাহ সরকার (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ), সংরক্ষিত ১নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর সালমা পাটোয়ারী, ২ নম্বর ওয়ার্ডের আকলিমা বেগম এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুন নাহার, সাধারণ কাউন্সিলর ১ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজ মিয়া, ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হারিছ খান, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জাহাঙ্গীর আলম , ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোঃ শাহজালাল মুফতী , ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নান বেপারী, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমান উল্লাহ সরকার , ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেন , ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহান মোল্লা ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বোরহান উদ্দিন।

Model Hospital

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।