শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

টেন্ডারের দেড় বছরে কাজ হয়নি বাবুরহাট গণশৌচাগার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩, ৯:৩৪ পিএম
টেন্ডারের দেড় বছরে কাজ হয়নি বাবুরহাট গণশৌচাগার

চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়য়ার্ডস্থ বাবুরহাট মতলব রোডে যাত্রীদের সুবিধার্থে গণশৌচাগার নির্মাণের জন্য চাঁদপুর হাইমচর-৩ নির্বাচনী এলাকার এমপি, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপির থোক তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু টেন্ডারের দেড় বছর পার হয়ে গেলে ও আজও নির্মাণ হয়নি বাবুরহাটের জনগুরুত্বপূর্ণ সে গণশৌচাগারটি।

চাঁদপুরের ট্রানজিট নামে খ্যাত বাবুরহাট মতলব রোড দিয়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক যাত্রী চলাফেরা করে। রাজধানী ঢাকার সাথে দূরত্ব কমানোর জন্য চাঁদপুরের আশপাশ কয়টি জেলা বাবুরহাট-মতলব পেন্নাই সড়কটি ব্যবহার করে। কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ন এস্থানে কোন গণশৌচাগার না থাকায় নানান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। চাঁদপুর পৌরসভা ১৪ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা ও কাউন্সিলর এর আবেদনের প্রেক্ষিতে চাঁদপুর পৌর মেয়রের অনুরোধে শিক্ষামন্ত্রীর থোক তহবিল থেকে চাঁদপুর পৌরসভার কয়েকটি এলাকায় ৫২ লক্ষ টাকার ব্যায়ে ৪টি গনসৌচাগার স্থাপনের জন্য চাঁদপুর জেলা পরিষদ থেকে টেন্ডার প্রদান করা হয়। তন্মোধ্যে বাবুরহাটের মতলব রোডের ১টি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টেন্ডার গ্রহন করে দীর্ঘ প্রায় দের বছরে কাজ শুরু করেন নি বলে জানা যায়। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এবিষয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের সহকারি প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন জানান শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের থোক তহবিল থেকে কাজটি প্রদান করা হয়েছে। পৌরসভার স্থান জনিত জটিলতার কারনে কাজটি করতে বিলম্ব হয় বলে আমাকে জানানো হয়। বর্ষার কারনে এ বছরও কাজটি করা সম্ভব হবে না।

চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খাইরুল ইসলাম নয়ন মিজি জানান, ১৪নং ওয়ার্ডবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মেয়র মহোদয়ের অনুরোধে শিক্ষামন্ত্রী তহবিল থেকে গত দেড় বছর পূর্বে বাবুরহাট মতলব রোডে গণসৌচাগার স্থাপনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। এটি স্থাপনের জন্য মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে মতলব রোডে কসাইখানা সংলগ্ন সড়ক ও জনপদের জায়গায় স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার নিজের খাম খেয়ালীমত মেয়র মহোদয়কে অবগত না করে ১৪নং ওয়ার্ডের গরুজবাইয়ের স্থানটি ভেঙে সেখানে গণসৌচাগার নির্মাণের প্রস্তুতি নেয়।

Model Hospital

গরু জবাইয়ের স্থানটি কিছু অংশ ভাঙ্গা হলে সেখান থেকে কয়েকজন আমাকে ফোন করে অবগত করলে আমি মেয়র মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করি ও গরু জবাইয়ের স্থানটি না ভাঙ্গার জন্য অনুরোধ করি। পরবর্তীতে মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে গরু জবাই স্থান সংলগ্ন স্থানে গণসৌচাগার স্থাপনের জন্য পুনরায় স্থান নির্ধারণ করে স্থানীয় ১৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক, যুগ্মআহ্বায়ক ও ঠিকাদারসহ লেআউট প্রদান করি।

এদিকে বাবুরহাট গরুজবাইয়ের স্থানটি জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় এবং পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় সেখানে গরু জবাই করা যাচ্ছে না বলে জানা যায়। ফলে বাজারের মধ্যেই কয়েকজন গরু জবাই করে থাকেন। যার ফলে বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা গুলো কয়েকদিন পর পর বন্ধ হয়ে গিয়ে ও মারাত্মক দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর জানান স্থানটি সংস্কারসহ বড় করার জন্য ইতিমধ্যেই মেয়র মহোদয়কে জানানো হয়েছে, তা অতি শীঘ্রই সংস্কার করা হবে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।