শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ম পর্যায়ে হাজীগঞ্জ ও হাইমচর সহ উদ্বোধন হলো আরও ৫০টি মডেল মসজিদ

মির্জা মানিক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩, ২:২৬ পিএম
৫ম পর্যায়ে হাজীগঞ্জ ও হাইমচর সহ উদ্বোধন হলো আরও ৫০টি মডেল মসজিদ
চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৫ম পর্যায়ে নির্মিত আরও ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (৩০ জুলাই) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আধুনিক ও সুসজ্জিত এসব মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতাকে হত্যা করার পর ইসলামের নাম নিয়ে অনেকে ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু ইসলাম ধর্ম প্রচার-প্রসারে কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও জানান তিনি।’

প্রধানমন্ত্রী ভাষণে বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্ট আরেকটি কারবালার ঘটনা ঘটিয়েছিলো ঘাতকরা। জঙ্গীরা ইসলামের সুনাম নষ্ট করেছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। নতুন প্রজন্ম শিশু-কিশোরদেরকে জঙ্গীবাদ থেকে বাঁচাতে হবে। শিক্ষা নীতিমালায় ধর্মীয় শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ফজর থেকে জোহর পর্যন্ত  মডেল মসজিদগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। পবিত্র কোরআন শরীফকে অনলাইনে, বাংলা অর্থসহ ও ইংরেজী ভার্সন আমাদের সরকার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। হজ্ব ব্যবস্থাপনায় সহজীকরণ করেছি। ইমাম-মুয়াজ্জীন ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে আলেমদের সহযোগীতার সুযোগ করে দিয়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাজ বাস্তবায়নে রবিবার সকালে হাজীগঞ্জ মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধনের সময় ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বক্তৃতা করেন হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তী নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক, আইসিটি ও শিক্ষা) মোঃ বশির উদ্দীন, গণপূর্ত বিভাগের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রকিবুর রহমান, হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মোঃ মাঈনুদ্দীন, হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ.স.ম. মাহবুব-উল আলম লিপন, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম তানজীর, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মেহেদী হাসান মানিক, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোঃ আহসান হাবীব অরুন, হাজীগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, হাজীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযুদ্ধের সাবেক কমান্ডার মোঃ আবু তাহের, ৫নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইউসুফ প্রধাণীয়া সুমন, হাজীগঞ্জ মডেল মসজিদের ভূমি দাতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, মডেল মসজিদ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আজিজ ব্রাদার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল আজিজ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাজীগঞ্জ উপজেলা সুপার ভাইজর মোঃ হাসান মজুমদার সহ শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষকগণ এবং স্থাণীয় গণ্যমান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় হাজীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, মডেল মসজিদ এবং ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাসহ অজু ও নামাজের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে।

এছাড়া এসব মসজিদে হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গবেষণা কেন্দ্র ও ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, দাফনের আগে আচার ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং সুবিধা, হিফজখানা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা ও ইসলামিক কনফারেন্স রুম থাকবে।

Model Hospital

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং ইসলামি দাওয়াত, ইসলামি বই বিক্রয় কেন্দ্র, মসজিদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জন্য বোর্ডিং সুবিধাও থাকবে এই মসজিদে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।