শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

দীর্ঘদিন পর নিরসন হলো পেন্নাই সড়কের নারায়ণপুর অংশের জলাবদ্ধতা

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩, ৯:৪৪ পিএম
দীর্ঘদিন পর নিরসন হলো পেন্নাই সড়কের নারায়ণপুর অংশের জলাবদ্ধতা

সামান্য বৃষ্টি হলেই বাবুর হাট-পেন্নাই সড়কের নারায়ণপুর অংশের সাহা বাড়ির সামনের রাস্তায় তৈরি হতো জলাবদ্ধতা। যানবাহন ও পথচারী চলাচলে দিনের পর দিন পোহাতে হয়েছে চরম দূর্ভোগ। সে স্থানে এখন বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা নেই।

যানচলাচলে ফিরে এসেছে স্বস্তি। গত কয়েক মাস আগে এ নিয়ে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এর পর থেকে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাজার সংলগ্ন পেন্নাই সড়কের সাহা বাড়ির সামনের এ জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন উপজেলার ৩ নং খাদেরগাঁও ইউপির সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

তিনি চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাস্তা সংলগ্ন ড্রেন পরিস্কার করে এ জলাবদ্ধতা দূর করেন। জলাবদ্ধতা দূর হওয়ায় এলাকাবাসী, রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের চালক, শিক্ষার্থী ও পথচারীগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

Model Hospital

এক প্রতিক্রিয়ায় শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, আমি সাধারণ মানুষের কাতারে থেকেই চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করি। ওনারা আমার ডাকে সাড়া দিলে আমি দায়িত্ব নিয়ে কাজটা সম্পন্ন করেছি মাত্র। ভালো কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে ভালো লাগে এ তাড়না থেকেই এই কাজে সম্পৃক্ত হওয়া।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।